মাস: এপ্রিল 2016

মুস্তাফিজকে দেখলে ওয়াসিমকে মনে পড়ে: স্টেইন

Posted on Updated on


মুস্তাফিজকে দেখলে ওয়াসিমকে মনে পড়ে: স্টেইনভারতের বিপক্ষের সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে এখনও পর্যন্ত আলোচনার তুঙ্গে বাংলাদেশি তরুণ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।  ভারতের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। ওই সিরিজেই মুস্তাফিজকে ভালোভাবে দেখেছে প্রোটিয়া পেসার ডেল স্টেইন। আর আইপিএলের চলতি আসরে তো বোলারদের সব আলো নিজের করে নিয়েছেন সাতক্ষীরার কাটার মাস্টার। এমনিতেই সময়ের অন্যতম সেরা বোলার স্টেইন। গতির সঙ্গে সুইং সবই আছে তার। কিন্তু সেই স্টেইনই প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন মুস্তাফিজকে। মুস্তাফিজকে তিনি তুলনা করেছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরামের সঙ্গে। তার মতে, মুস্তাফিজকে বোলিং করতে দেখলে চোখের সামনে ওয়াসিম আকরামের বোলিংয়ের স্মৃতি ভেসে উঠে। বুধবার ভারতীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এভাবেই মুস্তাফিজকে প্রশংসায় ভাসান। স্টেইন বলেন, ‘মুস্তাফিজের সেই সব বোলিং জাদু রয়েছে যা ওয়াসিম আকরামের ছিল। আমি বলছি না যে ওয়াসিম আকরামের মতো মুস্তাফিজ বলকে দুইপাশেই খুব সুইং খাওয়াতে পারে; কিন্তু সে (মুস্তাফিজ) যেভাবে বোলিং করে তা দেখাটা সত্যিই ফ্যান্ট্যাস্টিক। প্রেটিয়া গতিদানব বলেন, ‘আমরা বর্তমানে ডানহাতি বোলারদের দেখতে অভ্যস্থ হয়ে গেছি যারা দ্রুত গতিতে বল করে এবং ব্যাটসম্যানদের বোকা বানাতে অফ-কাটার ছাড়ে। কিন্তু এই বোলারটি (মুস্তাফিজ) বামহাতি এবং তার কাটার ও বলের গতি এতটা বিস্ময়করভাবে পরিবর্তিত হয় যা কেউ কখনোই আগে দেখেনি।’ ben.gif

Advertisements

বিগ বস-এ সাকিব!

Posted on


বিগ বস-এ সাকিব!

পশ্চিম বঙ্গের জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো বিগ বস মাতিয়ে গেলেন কেকেআর-এর তারকা ক্রিকেটাররা। সাকিব আল হাসান, উমেশ যাদব, সূর্যকুমার যাদব ও জেসন হোল্ডাররা বিগ বসের ঘরের বাসিন্দাদের সঙ্গে ক্রিকেট খেললেন।  গতকাল রাতে প্রচারিত এ শো’তে খেলার বাইরেও শিলাজিতের গানে নেচে গেয়ে আসর মাতিয়ে দেন সাকিবরা। এর আগে এভাবে তাদেরকে কোন  রিয়ালিটি শো’তে পাওয়া যায়নি। রিয়ালিটি শো’তে দেখা যায়, প্রতিযোগীদের লক্ষ করে সাকিবরা শুধু বল করেছেন। খেলার নিয়ম অনুযায়ী ব্যাট থেকে আসা বল বাউন্ডারি লাইনের চতুর্দিকে থাকা খাবারের ছবি দেওয়া ব্যানারে লাগলেই খাবার পাবেন গৃহস্থরা। এদিন ব্যাটে রান পেলেন জয়জিত, অপূর্ব এবং ঋ। তাঁদের মিলিত প্রয়াসে ঘরে মুরগির মাংস ও নুডলস আসে।  এরপর শিলাজিতের লোকগীতির তালে জেসন এবং উমেশদের নাচও ছিল প্রশংসার দাবিদার। সাকিব জানালেন বিগবসে এসে তিনি অনেক উপভোগ করেছেন। প্রতিযোগীদের বিগবসের খেলার জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলেন উমেশ। দুর্দান্ত ধারাবাহিক ফর্মে থাকা কেকেআর-এর এই অভিনব প্রচার নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের মন আরও জয় করে নিয়েছে।

Enter a caption

লেখকের অন্য চোখ গুলশানে কার কী লাভ হলো?

Posted on Updated on


12941401170500097041.gif

11259390710501569911
গুলশানে কার কী লাভ হলো?

আর কয়েকদিন পরেই খুশির দিন আসছে। বন্ধুদের বলব, ঈদ মোবারক। একটা খোশ মেজাজ ছিল, ভেবেছিলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনের পাঠকের জন্য মজার লেখা লিখব, খুশির দিনে সেই লেখা পড়ে ভালো লাগবে সবার। কিন্তু ভাই, শুক্রবার রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় যখন খবরটা জানতে পারলাম তখন নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। শুক্রবার রাতের নামাজ পড়ার

dfg

সময়, যখন মসজিদ থেকে আজান দেওয়া হচ্ছিল সেই সময় যারা একের পর এক খুন করতে পারে তারা কি মানুষ? ঘুম চলে গিয়েছিল। বারবার ঢাকায় ফোন করেছি। অবাক হয়ে জানলাম, আমার যে বন্ধু গেণ্ডারিয়া বা বাংলাবাজার থাকেন; এ ঘটনার কথা তিনিও টিভি দেখে জেনেছেন। দোতলার বারান্দায় গিয়ে দেখেছেন রাস্তাঘাট স্বাভাবিক। একটু পরে তার ফোন এলো মানুষজন রাস্তায় বেরিয়ে এসেছে, গুলশানে ভয়ঙ্কর হত্যালীলা যারা চালিয়েছে তাদের ধিক্কার দিচ্ছে। তারপরই তিনি মহামূল্যবান প্রশ্নটি করলেন, ধিক্কার জানানো ছাড়া আমরা আর কী করতে পারি? কিছুই না। উত্তরে বলেছিলাম, চুপ করে ঘরে বসে না থেকে ধিক্কার জানানোটা যে অত্যন্ত 577392ef546c2 (1)জরুরি কাজ। এ মুহূর্তে আপনি যেমন গুলশানে নেই, আমিও না। কিন্তু ঢাকার বাংলাবাজার আর কলকাতার শ্যামবাজারে থেকেও আমাদের হৃদয় যে রক্তাক্ত হচ্ছে এটা না হলে আমরা কেঁচো বা পিঁপড়া হয়ে যেতাম। ধীরে ধীরে দেখলাম সেই মজার লেখাটা এ মুহূর্তে আমি লিখতেও পারছি না। চোখ বন্ধ করেও কয়েকশ’ মাইল দূরে বসেও গুলশানের রেস্তোরাঁতে নিহত মানুষের মুখগুলো দেখতে পাচ্ছি। যে পুলিশ কর্তারা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শহীদ হলেন তাদের সম্মান জানাতে মাথানত করে আছি। এ অবস্থায় মজার গল্প লেখা কি সম্ভব। যত বেলা গড়াচ্ছে তত নানা চিন্তা মাথায় আসছে, এই যে নির্মম হত্যাকাণ্ড হলো, তাতে কার কী লাভ হলো? যারা ওই রেস্তোরাঁকে বেছে নিয়েছিল তারা নিশ্চয়ই জানত চারপাশে চৌত্রিশটি বিদেশি দূতাবাস থাকায় তাদের কর্মীরা ওখানে খেতে আসবেন। হত্যাকাণ্ড চালালে সারা পৃথিবীতে খবরটা প্রচারিত হবে। মনে প্রশ্ন আসছে, সেই খবর প্রচার করে ওদের কী লাভ হলো? ধরা যাক ওখানে যারা খেতে এসেছিল তাদের বন্দী করে সরকারকে বাধ্য করাতে চেয়েছিল ইচ্ছা পূর্ণ করতে। হয়তো দলের কাউকে জেলমুক্ত করতে চেয়েছিল, কিন্তু ওরা নিশ্চয়ই জানত সরকার যদি তেমন প্রস্তাবে রাজি হতো তাহলেও গুলশানের ওই রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে গোপন জায়গায় যেতে পারত না। তার আগেই শাস্তি পেতে হতো। তাহলে এই পরিকল্পনা করে ওদের কী লাভ হতো? আমরা জেনেছি ওরা বাংলাদেশের মানুষ। বিশ্বাস করতে না চাইলেও এটা মিথ্যা নয়। এদের বাড়ি কোথায়? প্রচুর অস্ত্র নিয়ে এরা গণহত্যা করবে বলে এসেছিল? অস্ত্রগুলো কোথায় পেল, এই প্রশ্ন করছি না। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশে চোরাকারবারিরা যে অস্ত্র ব্যবসায় খুব সফল তা এখন দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। কিন্তু সেই অস্ত্র ব্যবহার করতে শিক্ষা নিতে হয়। আপনি আমি তো একটা এ কে ফোর্টি সেভেন দেখামাত্র চালাতে পারব না। এরা যখন অস্ত্র চালনা শিখছিল তখন কেউ টের পেল না কেন? সেই সন্ধ্যেবেলায় ওরা অস্ত্রসমেত গুলশানের রেস্তোরাঁতে কীভাবে এসেছিল। মনে রাখতে হবে, এটা দূতাবাসের এলাকা। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশ জোরদার। সেই নিরাপত্তা প্রহরীদের দেখার অভিজ্ঞতা আমারও হয়েছে। কিন্তু ঘটনার দিন যদি তারা সজাগ থাকতেন তাহলে হত্যাকারীরা রেস্তোরাঁতে পৌঁছাতেই পারত না। চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, তাই এখন এসব ভাবছি। কিন্তু প্রশ্নটা রয়েই গেল, ঘটনা ঘটিয়ে কার কী লাভ হলো? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, নামাজের সময় যারা খুন করতে পারে তারা কীরকম মুসলমান? অন্ধ জঙ্গিদের কোনো ধর্ম থাকে না। তারা যে কাজ করে তার পেছনে নিজেদের ইচ্ছা থাকে না, মতলববাজ নির্দেশকের নির্দেশ অনুযায়ী করে থাকে, কাউকে স্বর্গ, অথবা হেভেন বা বেহেশত যাওয়ার লোভ দেখিয়ে হত্যা করতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু এতে কার কী লাভ হয়? নিরীহ যেসব মানুষ নিহত হলেন, তাদের পরিবারে এখন শোকের ঘন ছায়া। যারা হত্যাকারী তাদের পরিবারের মানুষরা ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারবে না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যারা হত্যা করতে এসে নিহত হয়েছেন তারা যদি পরে দৃশ্যগুলো দেখতে পেত তাহলে নিজেদের উন্মাদ ছাড়া অন্য কিছু ভাবত না। দেখতে দেখতে দিনের পরে দিন চলে যাবে। পদ্মা মেঘনায় প্রচুর জল বয়ে যাবে। ক্ষত শুকিয়ে যাওয়ার পর যে দাগ থেকে যায় ঠিক তেমনি গুলশান হত্যাকাণ্ডের দুঃসহ স্মৃতিও থেকে যাবে। কিন্তু কে উত্তর দেবে, যারা হত্যা করল তাদের কী লাভ হলো? কারও কোনো লাভ হলো না কিন্তু ক্ষতি হলো বাংলাদেশের। আতঙ্কিত হলো ভারতবর্ষ আর লজ্জায় অপমানে কেঁপে উঠল ভালোবাসা।

 

4133346336004816156

 

20160612053f957

 

 

 

01

বেনাপোলে ৩ দিন ব্যাপি বৈশাখী উৎসব

Posted on


big-banner (1).jpg

দ্বিতীয়বারের মত পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে যাচ্ছে বেনাপোল পৌরসভা।বেনাপোল বলফিল্ড প্রঙ্গণে হবে এবারের বৈশাখী উৎসব।

বেনাপোলে এবারের বৈশাখী উৎসব তিন দিন ধরে হবে।এরি মধ্য বেনাপোল পৌরসভা আয়োজনের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করেছে।

অনুষ্ঠান শুরু হবে ১২ ই এপ্রিল থেকে।প্রথম দুই দিন থাকবে বেনাপোলের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীদের অংশ গ্রহনে

airtel pohela boishakh recharge bonus offer 28tk 450percent bonus offer 1422 noboborsho.jpg
Enter a caption

গান,নাচ,কবিতা,অবৃত্তি,হাম,নাত ও গজল এর প্রতিয়োগিতা। ৪ বিভাগে বেনাপোলের ৩০০ ছাত্র ছাত্রী অংশ গ্রহন করবে।

পহেলা বৈশাখ এর দিন থাকছে সকাল ৯ টার সময় শহর জুড়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা ।এর পর বেনাপোল পৌরসভার আযোজনে উক্ত অনুষ্ঠনের সকল জন্য থাকছে পান্তা ইলিশ খাবার পরিবেশনা।

এরপর দিন ব্যাপি থাকছে বর্ষবরন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে থাকছে দেশের নামী দামী শিল্পীরা।

আপনাদের সকলকে আমন্ত্রিণ রইল।

a87e5336965255.560657ad3de20.jpg

লক্ষ্মীপুরে বন্দুকযুদ্ধে ছয় মামলার আসামি নিহত

Posted on


লক্ষ্মীপুরে বন্দুকযুদ্ধে ছয় মামলার আসামি নিহত

লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতিসহ মোট ছয় মামলার আসামি নিহত হয়েছেন। তার নাম আবু কাউসার (৩০)। তিনি লক্ষ্মীপুর সদরের পশ্চিম লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ইউনুস মিয়ার ছেলে। ‘বন্দুকযুদ্ধ’-এ পুলিশের একজন উপপরিদর্শকসহ দুই কনস্টেবলও আহত হয়েছেন। বুধবার দিনগত রাত তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। লক্ষ্মীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার নাসিম মিয়া এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আবু কাউসার অস্ত্র ও ডাকাতিসহ মোট ছয় মামলার আসামি। বুধবার দিনগত রাত তিনটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পশ্চিম লক্ষ্মীপুর তিন নম্বর ব্রিজের কাছে আটক করতে গেলে তিনি পুলিশকে উদ্দেশ করে গুলি ছোড়েন। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে কাউসার গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। সহকারী পুলিশ সুপার আরো জানান, আবু কাউসারের গুলিতে উপপরিদর্শক (এসআই) কাউসার উদ্দিন চৌধুরী, কনস্টেবল ইব্রাহিম খলিল ও মহসিন খান আহত হয়েছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এবার ড্যারেন স্যামির নামে স্টেডিয়াম

Posted on


এবার ড্যারেন স্যামির নামে স্টেডিয়াম

বিশ্বের একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছেন ড্যারেন স্যামি। তার নামেই হতে যাচ্ছে সেন্ট লুসিয়ার বিউসিজুর ক্রিকেট গ্রাউন্ডের নাম। ঐ ক্রিকেট গ্রাউন্ডের নাম পরিবর্তন হয়ে হতে যাচ্ছে ড্যারেন স্যামি ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম। টি-টোয়েন্টিতে ষষ্ঠ আসরে শিরোপা জয়ের পর ক্রিকেটারদের প্রতি নিজ বোর্ডের অবহেলা নিয়ে হৃদয়বিদারক এক বক্তব্য দিয়েছেন স্যামি। আর তার সেই বক্তব্যেই বোধহয় এবার মন গলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রধানমন্ত্রীসহ দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের।  খেলোয়াড়দের প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের (ডব্লিউআইসিবি) অবহেলা দীর্ঘদিন ধরেই অবলোকন করছে ক্রিকেট বিশ্ব। দ্বিতীয়বার টি-টোয়েটি শিরোপা জয়ের পর ক্রিকেটারদের দাবি-দাওয়া পূরণে মনযোগী হতে ডব্লিউআইসিবি’কে পরামর্শ দিয়েছেন ক্রিকেট গ্রেট শচীন টেন্ডুলকারও। তাই দেশকে দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দেওয়ায় এবার ড্যারেন স্যামিকে বেশ ভালোভাবেই সম্মানিত করতে যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেন্ট লুসিয়ার বিউসিজুর ক্রিকেট গ্রাউন্ডের নাম হতে যাচ্ছে ড্যারেন স্যামি ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম। সেন্ট লুসিয়ায় স্যামিদের অর্ভ্যথনা অনুষ্ঠানে সেন্ট লুসিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্যানি ডি অ্যান্থনি এই ঘোষণা দেন। এই স্টেডিয়ামের একটি স্ট্যান্ড ক্যারিবীয় ক্রিকেটার চার্লসের নামে হবে।   এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর আনন্দ প্রকাশ করে স্যামি বলেন, ‘আমি সত্যিই সম্মানিত বোধ করছি। সেন্ট লুসিয়ার মানুষের ভালবাসা, শ্রদ্ধা এবং এমন ঘোষণা পেয়ে আমি সত্যিই অভিভূত। আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।’

সুয়ারেজের জোড়া গোলে বার্সার জয়

Posted on


সুয়ারেজের জোড়া গোলে বার্সার জয়

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে লুইস সুয়ারেজের জোড়া গোলে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। দুই দলের লড়াইয়ে সুয়ারেজ যদি বার্সার জয়ের নায়ক হয়ে থাকেন তাহলে অ্যাটলেটিকোর পরাজয়ের খল নায়ক হলেন তোরেস।  শনিবার ‘এল ক্লাসিকো’তে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ২-১ গোলের হারের ক্ষত নিয়ে নিজেদের মাঠে আরেক মাদ্রিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামে বার্সা। খেলার ২৫ মিনিটে গোল করে কাতালান শিবিরে কাঁপন ধরিয়ে দেন তোরেস। কিন্তু পরবর্তীতে খল নায়ক বনে গেছেন এই তিনি। ম্যাচের ৩৫ মিনিটের মাথায় সার্জিও বাস্কেটকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে যখন তোরেস মাঠ ছাড়েন তখনও ১-০ ব্যবধানের এগিয়ে ছিল অ্যাটলেটিকো। এমনকি ওই এক গোলে এগিয়ে থেকেও বিরতিতে যায় তারা। তবে বিরতির পর ১০ জনের দল নিয়ে আর পেরে উঠেনি মাদ্রিদ। দ্বিতীয়ার্ধের ১৮ মিনিটে অর্থাৎ খেলার ৬৩ মিনিটে সুয়ারেজ গোল করে খেলার সমতা ফেরান। এর ১০ মিনিট পর ফের সমর্থকদের উল্লাসে মাতিয়ে তোলেন বার্সার উরুগুয়ের এ তারকা খেলোয়াড়। এ জয়ের ফলে রিয়েল মাদ্রিদের সঙ্গে হারের শোকটা কিছুটা হলেও ভুলতে পারবে বার্সার সমর্থকরা!