অর্থনীতি

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাক ফিলিপাইনে ৬

Posted on


image-3065
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাক ফিলিপাইনে ৬ ব্যক্তিকে শনাক্ত করে তদন্ত শুরু ফিলিপিন্সের রিজল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাক করে ৮০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ছয়জনকে শনাক্তের পর তদন্ত শুরু করেছে ফিলিপাইনের এন্টি-মানিলন্ডারিং বিভাগ (এএমএলসি)। খবর ফিলিপাইন ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইনকিউয়ার ডট নেটের। সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এএমএলসি প্রাথমিকভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মিশেল ফান্সসিসকো ক্রুজ, জেসি ক্রিস্টোফার ল্যাগরোসাস, আলফ্রেড সানটস ভারগারা, এনরিকো টিওডোরো বাসকিউজ, উইলিয়াম সোগো এবং কিম ওং কে শনাক্ত করেছে। সংবাদ মাধ্যমটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ক্রুজ, লেগরোসাস, ভারগারা ও ভাসকুইজ প্রত্যেকে গত বছরের ১৫ মে ৫০০ ডলার দিয়ে ফিলিপাইনের স্থানীয় ত্রিজেল কমার্শিয়াল ব্যাংক করপোরেশন (আরসিবিসি) ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলেন। দীর্ঘদিন এসব অ্যাকাউন্টে কোনো লেনদেন হয়নি। এরপর ৫ ফ্রেব্রুয়ারি পর্যন্ত উল্লেখিত চার ব্যক্তির আরবিসির ব্যাংক হিসাবে ৮১ মিলিয়ন ডলার যোগ হয়। অথচ এর আগ পর্যন্ত এ সব হিসাবে কোনো লেনদেন হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্রুজ, লেগরোসাস, ভারগারা ও ভাসকুইজের কোনো নির্দিষ্ট আয়ের উৎস নেই। অথচ একদিনে তাদের অ্যাকাউন্টে ৮১ মিলিয়ন ডলার যোগ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটি টের পাওয়ার আগেই তারা অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেন। ফিলিপাইনের দৈনিক দি ইনকোয়েরার পত্রিকা ২৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ থেকে ১০ কোটি ডলার মানি লন্ডারিং হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করে। ওই খবরে বলা হয়, দেশটির মাকাতি শহরে অবস্থিত রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের একটি শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ ফিলিপাইনে আসে। চিনা হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা সেখানকার কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এ অর্থ হাতিয়ে নেয়। হ্যাকার দল এ অর্থ প্রথমে ফিলিপাইনে পাচার করে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অর্থ পাচারের এ ঘটনা তদন্ত করছে ফিলিপাইনের অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কাউন্সিল। বিভিন্ন তথ্যসূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পরে ওই অর্থ সেখান থেকে ক্যাসিনোসহ একাধিক হাত ঘুরে অন্য দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি বন্ধে বাড়ছে ই-টেন্ডারের আওতা

Posted on


11-02-2016 | লোকসমাজ ডেস্ক

127331-2.jpg

অনিয়ম, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে ৫০ কোটি টাকার বেশি কাজে যুক্ত হচ্ছে ই-টেন্ডার। বর্তমানে ৫০ কোটি টাকার নিচের কাজের ক্ষেত্রে ই-টেন্ডার চালু রয়েছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটের (সিপিটিইউ) সহায়তায় প্রাথমিকভাবে ১০০টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের বড় কেনাকাটায় ই-টেন্ডার চালু হচ্ছে। আগামী মার্চ মাস থেকে এটি চালু হবে।
মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ)আয়োজিত ‘সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিকে (সিসিজিপি) ই-সিসিপিকে ই-জিপিতে অন্তর্ভুক্তি’ শীর্ষক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের হলে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা অধিকতর নিশ্চিত হবে। এজন্য সরকারি টেন্ডার ও ক্রয়প্রক্রিয়া অনলাইনেই করতে হবে। কত সহজে এ কাজটি নির্ভুলভাবে করা যায় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তবে কাজটি সুষ্ঠুভাবে করার জন্য প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘অনলাইনে সরকারি ক্রয়-বিক্রয় পূর্ণ মাত্রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করতে হবে।ক্রমান্বয়ে এর পরিধি বাড়াতে হবে। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কার্যক্রম সহজ ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে প্রশিক্ষণ অপরিহার্য বলে জানান তিনি।
বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিটিইউ-এর মহাপরিচালক ফারুক হোসেন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইএমইডি সচিব মোহাম্মদ শহীদউল্লা খন্দকার, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য আবদুল মান্নান, বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি জাফরুল ইসলাম প্রমুখ।