দেশের খবর

সৌদি আরবে ঈদ বুধবার

Posted on


1294140117050009704111259390710501569911সৌদি আরবে ঈদ বুধবার

শাওয়ালের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সৌদি আরব, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বুধবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর বাংলাদেশে চাঁদ দেখা যায় বলে ঈদও একদিন পর উদযাপিত হয়। রমজানও সৌদি আরবের একদিন পরই শুরু হয়েছিল।gp.gifসোমবার সৌদি আরবে ছিল রমজানের ২৯তম দিন। এদিন চাঁদ দেখা গেলে মঙ্গলবার শাওয়াল মাস শুরু হত, অর্থাৎ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হত। সে অনুযায়ী পরদিন বুধবার বাংলাদেশেও ঈদুল ফিতর পালিত হওয়ার জোর সম্ভাবনা থাকতো।

কিন্তু সোমবার রাতে সৌদি আরব সরকার চাঁদ দেখা না যাওয়ায় বুধবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার ঘোষণা দেয় বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে।

4133346336004816156
fff.gif

মিতু হত্যার আসামি রাশেদ-নবী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

Posted on


12941401170500097041

gp.gif

মিতু হত্যার আসামি রাশেদ-নবী 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত
11259390710501569911

এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি নুরুল ইসলাম রাশেদ ওরফে ভাগ্নে রাশেদ ও আবদুল নবী পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হন পুলিশের তিন উপ পরিদর্শক আজহার, এনাম এবং সিকান্দার।

সোমবার ভোর রাতে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনীয় উপজেলার রানীরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।577392ef546c2 (1)

নিহত ওই তিনজনের মধ্যে আবদুল নবী মিতুকে ছুরিকাঘাত করেন এবং রাশেদ বেকআপ টিম হিসেবে ঘটনাস্থলে ছিলেন বলে জানা  গেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, ‘সোমবার ভোর রাতে মামলার রাশেদ নিয়ে অভিযানে যায়। এসময় এক দল সন্ত্রাসী পুলিশের ওপর হামলা করে। এসময় দু’পক্ষের বন্দুকযুদ্ধে দুই সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।’

নিহত রাশেদের ছোট ভাই শহীদুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘গত ২৩ জুন বোয়ালখালী থেকে রাশেদকে আটক করে পুলিশ। আটকের পর প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও পুলিশ রাশেদকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করছে। এখন তাকে খুন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি রাশেদ, ওয়াসিম এবং আবদুন নবীকে আটকের পর একই কক্ষে রাখা হয়। তিনদিন তারা একই কক্ষেই ছিলেন। পরে ওয়াসিমকে পুলিশ গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।’

প্রসঙ্গত, গত ৫ জুন নগরীর জিইসি’র মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুবৃর্ত্তদের হাতে খুন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার অজ্ঞাতনামাদের আসামিদের একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে।

 

 

4133346336004816156

fff.gif

ছেলে সম্পর্কে যা বললেন রোহানের বাবা

Posted on


gp.gif

ছেলে সম্পর্কে যা বললেন রোহানের বাবা

শুক্রবার রাতে ঢাকার গুলশানের হোলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি আক্রমণে বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে হামলাকারীরা। হামলাকারীদের একজন রোহান ইবনে ইমতিয়াজ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের উপ-মহাসচিব এস এম ইমতিয়াজ খানের ছেলে এবং ঢাকার স্কলাসটিকা স্কুলের সাবেক ছাত্র। বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রোহানের বাবা জানান, ৬ মাস আগে হঠাৎ করে ছেলে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল।

ছেলের নিখোঁজ প্রসঙ্গে ইমতিয়াজ খান বলেন, “আমার ছেলে রোহান গত ডিসেম্বরের ৩০ তারিখ থেকে নিখোঁজ। সে সময় আমি ও আমার স্ত্রী চিকিৎসার জন্য কোলকাতায় ছিলাম। ৩০ তারিখ রাতে ওর দুই বোন একটি দাওয়াত থেকে ফিরে এসে দেখতে পায়, রোহান বাড়িতে নেই।”12941401170500097041

”দারোয়ানকে জিজ্ঞেস করতে সে বললো, সন্ধ্যেবেলা কলেজে যাবার ব্যাগ নিয়ে সে বেরিয়ে গেছে। জিজ্ঞেস করাতে সে বলেছিল, ইউনিভার্সিটিতে যাচ্ছে। এ খবর শোনর পর আমি এক তারিখ ঢাকা ফিরে আসি।”

তিনি আরও বলেন, ”আমার যত আত্মীয়স্বজন, ওর বন্ধুবান্ধবদের যে কয়েকজনকে চিনতাম তাদের কাছে খোঁজখবর নিলাম, ও কোথাও নেই। এরপর আমি থানায় একটা জিডি করলাম। তারপর ওর কোন খোঁজই আমরা পাইনি। ও কোথায় গেছে কোন তথ্য নেই, কোন যোগাযোগ নেই। অনেক চেষ্টা করেছি, অনেক খুঁজেছি।”11259390710501569911

বিবিসি বাংলাকে ছেলে সম্পর্কে ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ খান বলেন, ”আমার ছেলে ক্লাস ফাইভে পড়ার সময় থেকেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। ওর নানার সাথে মসজিদে যাওয়া শুরু করেছিল। কিন্তু অন্য ধরণের কোন কিছু আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। বাসায় কোন বই-টই বা ওই জাতীয় কিছু কখনো ছিল না। আমাদের নজরে আসেনি।”

”আমার ছেলে যখন এ লেভেলে – সে পর্যন্ত তার দিকে বেশি খেয়াল রাখতাম। কিন্তু ইউনিভার্সিটিতে ওঠার পর কি আর ওই ভাবে খেয়াল রাখা যায়? তবে ওর রুমে আমরা মধ্যে মধ্যে যেতাম, দেখতাম। কোন কিছু নজরে পড়েনি।”

4133346336004816156

 

fff.gif

লেখকের অন্য চোখ গুলশানে কার কী লাভ হলো?

Posted on


12941401170500097041.gif

11259390710501569911
গুলশানে কার কী লাভ হলো?

আর কয়েকদিন পরেই খুশির দিন আসছে। বন্ধুদের বলব, ঈদ মোবারক। একটা খোশ মেজাজ ছিল, ভেবেছিলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনের পাঠকের জন্য মজার লেখা লিখব, খুশির দিনে সেই লেখা পড়ে ভালো লাগবে সবার। কিন্তু ভাই, শুক্রবার রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় যখন খবরটা জানতে পারলাম তখন নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। শুক্রবার রাতের নামাজ পড়ার

dfg

সময়, যখন মসজিদ থেকে আজান দেওয়া হচ্ছিল সেই সময় যারা একের পর এক খুন করতে পারে তারা কি মানুষ? ঘুম চলে গিয়েছিল। বারবার ঢাকায় ফোন করেছি। অবাক হয়ে জানলাম, আমার যে বন্ধু গেণ্ডারিয়া বা বাংলাবাজার থাকেন; এ ঘটনার কথা তিনিও টিভি দেখে জেনেছেন। দোতলার বারান্দায় গিয়ে দেখেছেন রাস্তাঘাট স্বাভাবিক। একটু পরে তার ফোন এলো মানুষজন রাস্তায় বেরিয়ে এসেছে, গুলশানে ভয়ঙ্কর হত্যালীলা যারা চালিয়েছে তাদের ধিক্কার দিচ্ছে। তারপরই তিনি মহামূল্যবান প্রশ্নটি করলেন, ধিক্কার জানানো ছাড়া আমরা আর কী করতে পারি? কিছুই না। উত্তরে বলেছিলাম, চুপ করে ঘরে বসে না থেকে ধিক্কার জানানোটা যে অত্যন্ত 577392ef546c2 (1)জরুরি কাজ। এ মুহূর্তে আপনি যেমন গুলশানে নেই, আমিও না। কিন্তু ঢাকার বাংলাবাজার আর কলকাতার শ্যামবাজারে থেকেও আমাদের হৃদয় যে রক্তাক্ত হচ্ছে এটা না হলে আমরা কেঁচো বা পিঁপড়া হয়ে যেতাম। ধীরে ধীরে দেখলাম সেই মজার লেখাটা এ মুহূর্তে আমি লিখতেও পারছি না। চোখ বন্ধ করেও কয়েকশ’ মাইল দূরে বসেও গুলশানের রেস্তোরাঁতে নিহত মানুষের মুখগুলো দেখতে পাচ্ছি। যে পুলিশ কর্তারা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শহীদ হলেন তাদের সম্মান জানাতে মাথানত করে আছি। এ অবস্থায় মজার গল্প লেখা কি সম্ভব। যত বেলা গড়াচ্ছে তত নানা চিন্তা মাথায় আসছে, এই যে নির্মম হত্যাকাণ্ড হলো, তাতে কার কী লাভ হলো? যারা ওই রেস্তোরাঁকে বেছে নিয়েছিল তারা নিশ্চয়ই জানত চারপাশে চৌত্রিশটি বিদেশি দূতাবাস থাকায় তাদের কর্মীরা ওখানে খেতে আসবেন। হত্যাকাণ্ড চালালে সারা পৃথিবীতে খবরটা প্রচারিত হবে। মনে প্রশ্ন আসছে, সেই খবর প্রচার করে ওদের কী লাভ হলো? ধরা যাক ওখানে যারা খেতে এসেছিল তাদের বন্দী করে সরকারকে বাধ্য করাতে চেয়েছিল ইচ্ছা পূর্ণ করতে। হয়তো দলের কাউকে জেলমুক্ত করতে চেয়েছিল, কিন্তু ওরা নিশ্চয়ই জানত সরকার যদি তেমন প্রস্তাবে রাজি হতো তাহলেও গুলশানের ওই রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে গোপন জায়গায় যেতে পারত না। তার আগেই শাস্তি পেতে হতো। তাহলে এই পরিকল্পনা করে ওদের কী লাভ হতো? আমরা জেনেছি ওরা বাংলাদেশের মানুষ। বিশ্বাস করতে না চাইলেও এটা মিথ্যা নয়। এদের বাড়ি কোথায়? প্রচুর অস্ত্র নিয়ে এরা গণহত্যা করবে বলে এসেছিল? অস্ত্রগুলো কোথায় পেল, এই প্রশ্ন করছি না। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশে চোরাকারবারিরা যে অস্ত্র ব্যবসায় খুব সফল তা এখন দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। কিন্তু সেই অস্ত্র ব্যবহার করতে শিক্ষা নিতে হয়। আপনি আমি তো একটা এ কে ফোর্টি সেভেন দেখামাত্র চালাতে পারব না। এরা যখন অস্ত্র চালনা শিখছিল তখন কেউ টের পেল না কেন? সেই সন্ধ্যেবেলায় ওরা অস্ত্রসমেত গুলশানের রেস্তোরাঁতে কীভাবে এসেছিল। মনে রাখতে হবে, এটা দূতাবাসের এলাকা। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশ জোরদার। সেই নিরাপত্তা প্রহরীদের দেখার অভিজ্ঞতা আমারও হয়েছে। কিন্তু ঘটনার দিন যদি তারা সজাগ থাকতেন তাহলে হত্যাকারীরা রেস্তোরাঁতে পৌঁছাতেই পারত না। চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, তাই এখন এসব ভাবছি। কিন্তু প্রশ্নটা রয়েই গেল, ঘটনা ঘটিয়ে কার কী লাভ হলো? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, নামাজের সময় যারা খুন করতে পারে তারা কীরকম মুসলমান? অন্ধ জঙ্গিদের কোনো ধর্ম থাকে না। তারা যে কাজ করে তার পেছনে নিজেদের ইচ্ছা থাকে না, মতলববাজ নির্দেশকের নির্দেশ অনুযায়ী করে থাকে, কাউকে স্বর্গ, অথবা হেভেন বা বেহেশত যাওয়ার লোভ দেখিয়ে হত্যা করতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু এতে কার কী লাভ হয়? নিরীহ যেসব মানুষ নিহত হলেন, তাদের পরিবারে এখন শোকের ঘন ছায়া। যারা হত্যাকারী তাদের পরিবারের মানুষরা ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারবে না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যারা হত্যা করতে এসে নিহত হয়েছেন তারা যদি পরে দৃশ্যগুলো দেখতে পেত তাহলে নিজেদের উন্মাদ ছাড়া অন্য কিছু ভাবত না। দেখতে দেখতে দিনের পরে দিন চলে যাবে। পদ্মা মেঘনায় প্রচুর জল বয়ে যাবে। ক্ষত শুকিয়ে যাওয়ার পর যে দাগ থেকে যায় ঠিক তেমনি গুলশান হত্যাকাণ্ডের দুঃসহ স্মৃতিও থেকে যাবে। কিন্তু কে উত্তর দেবে, যারা হত্যা করল তাদের কী লাভ হলো? কারও কোনো লাভ হলো না কিন্তু ক্ষতি হলো বাংলাদেশের। আতঙ্কিত হলো ভারতবর্ষ আর লজ্জায় অপমানে কেঁপে উঠল ভালোবাসা।

4133346336004816156

20160612053f957

জঙ্গিগোষ্ঠীর ফোন নম্বর বুঝবেন কীভাবে?

Posted on


11259390710501569911

জঙ্গিগোষ্ঠীর ফোন নম্বর বুঝবেন কীভাবে?

11259390710501569911

অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে না এমন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা নেই বললেই চলে। তবে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা বিশেষ কিছু কল আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। একবার ভুল করে রিসিভ করলে কিংবা কল ব্যাক করলেই চরম বিপদে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেরকম কিছু বিপদসঙ্কুল নম্বর।

মোবাইল ফোন গ্রাহকদের অনেকেই  +375602605281, +37127913091 +37178565072 +56322553736 +37052529259 +255901130460 এই রকম কিছু নম্বর থেকে মিস্ কল আসার শিকার হয়েছেন। অথবা এমন কিছু নম্বর যার শুরুতে +375 +371 +381 এই code গুলো ছিল।

20111128074851two_column_ad

এই রকমের নম্বর থেকে একটা মিসড কল হলে অথবা কিছুক্ষণ রিং বেজে বন্ধ হয়ে গেলে, আপনি যদি কল ব্যাক করেন তবে বিপদ। আপনার ব্যালেন্স থেকে 15-30$ কেটে নেওয়া হবে, আর তিন সেকেন্ডের মধ্যে আপনার কনট্যাক্ট লিস্টের সম্পূর্ণ কপি তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। আপনার ফোনে যদি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস্ অথবা ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডের তথ্য সেভ করা থাকে তবে সেগুলোও তারা কপি করতে সক্ষম হবে।

এবার জেনে নেওয়া যাক এসব ফোন কোন কোন জায়গা থেকে করা হয় ও কোন জঙ্গিগোষ্ঠী করে থাকে। যেমন +375 কোডের ফোন বেলারুশ থেকে করা হয়, +93 কোডের ফোন করা হয় আফগানিস্তান থেকে, +371 কোডের ফোন লাটভিয়া থেকে, +381 কোডের ফোন সার্বিয়া থেকে, +563 কোডের ফোন চিলি থেকে, +370  কোডের ফোন লিথুনিয়া, +255 কোডের ফোন আসে তানজানিয়া থেকে। এই সকল ফোন সাধারণত: ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিরা করে থাকে। তাই সাবধান! ভুল করেও ফোন রিসিভ করবেন না কিংবা কল ব্যাক করবেন না।

এছাড়া আপনার ফোন থেকে কখনও #90 ও #09 প্রেস করবেন না। কোনো নম্বর থেকে ফোন করে আপনাকে প্রলোভনমূলক কোনো কথা বলে যদি #90 ও #09 চাপতে বলা হয়, দয়া করে তা কখনো্ই করবেন না। এতে আপনার ফোনের সিম কার্ড ক্লোনিং করে, আপনার নম্বরের আর একটি সিম কার্ড বানিয়ে নেবে তারা। তারপর আপনার নম্বর ব্যবহার করে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন অসামাজিক কাজ করবে, যার বিন্দুমাত্রও আপনি টের পাবেন না।

dfg

20160612053f957

 

গুলশান হামলার নির্দেশদাতা কে

Posted on Updated on


11259390710501569911

গুলশান হামলার নির্দেশদাতা কে

গুলশান হামলায় অংশ নেওয়া জঙ্গিরা সাত মাস ধরে কোথায় ছিল? কারা তাদের আশ্রয় দিয়েছিল? কারা তাদের অস্ত্র জোগানদাতা? নির্দেশদাতা কে? কোথায় নিয়েছিল প্রশিক্ষণ— সেসব প্রশ্ন এখন উঠে আসছে। সন্তান নিখোঁজ হওয়ার পর বাবা-মা থানা-পুলিশ ও মিডিয়াকে জানিয়েছিলেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন তখন সেই নিখোঁজ সূত্র ধরে তদন্ত করলে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটত না।

সূত্রগুলোর মতে, জঙ্গি অর্থায়নকারীদের এখনো সঠিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি। তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেছে। এমনকি গুলশানের নারকীয় ঘটনার পর পুলিশ যেসব নাম পাঠিয়েছিল, বাস্তবে জঙ্গিদের নাম তা ছিল না। তাই অনেকে মনে করেন এখনো সঠিকভাবে তদন্ত না করলে আগামী দিনে গুলশান ঘটনার চেয়ে আরও ভয়াবহ ঘটনা ঘটতে পারে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স ঢাকায় আরও হামলার আশঙ্কা করে খবর দিয়েছে। নিহত জঙ্গিদের বিষয়ে তদন্ত করে দেখা গেছে, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩টার দিকে মীর সামি মোবাশ্বির কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য গাড়িতে করে বাসা থেকে বের হয়। যানজট থাকায় কোচিং

সেন্টারের আগেই গাড়ি থেকে নেমে যায়। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে গাড়িচালক জুয়েল তাকে কোচিং থেকে আনতে গেলে তাকে আর পাওয়া যায়নি। পরে মোবাশ্বিরের বাবা মীর এ হায়াত কবীর ওই দিনই গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নম্বর ১৮৪৮) করেন। পুলিশ তার খোঁজ করতে গিয়ে গুলশান এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পায়, মোবাশ্বির গাড়ি থেকে নামার পর একটি রিকশা নিয়ে বনানীর ১১ নম্বর সড়কের দিকে চলে যাচ্ছে। সামি স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে ও লেভেল পাস করেছে। এ লেভেল পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বাবা মীর এ হায়াত কবীর একটি টেলিকম প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে চাকরি করেন। মা একটি সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক। ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর থানা পুলিশ, র‌্যাবসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে তারা গিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো হদিস 577392ef546c2 (1)পাননি। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও কোনো সহযোগিতা করতে পারেনি। হামলাকারীদের আরেকজন নিবরাস ইসলাম। নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র। সাবেক সহপাঠীরা শনাক্ত করে তার ছবি ও পরিচয় সামনে নিয়ে আসে। মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মালয়েশিয়া ক্যাম্পাসের ছাত্র ছিলেন নিবরাস ইসলাম। ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের এক ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে নিবরাস বড়। বাসা ঢাকার উত্তরায়। তার নিকটাত্মীয়রা সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদে চাকরি করেন। বলা হচ্ছে, নিবরাস যে মালয়েশিয়া থেকে ঢাকায় এসেছিলেন, তা-ই জানত না পরিবার। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের উপমহাসচিব ও সাইক্লিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ খান বাবুলের ছেলে রোহান ইমতিয়াজ। ফেসবুক দেখে বোঝা যায়, তিনি কিছুদিন ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তিনি ফেসবুকে ছেলের উদ্দেশে লিখেছেন, ‘প্লিজ কাম ব্যাক’। রোহানের মা শিক্ষিকা। দুই ভাইবোনের মধ্যে রোহান বড়। সে ঢাকার স্কলাসটিকা থেকে এ লেভেল শেষ করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে রোহান নিখোঁজ। রোহান নিখোঁজ হয়েছে জানিয়ে গত ৪ জানুয়ারি থানায় জিডি করা হয়েছিল। জিডিতে বলা হয়, ৩০ ডিসেম্বর বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে রোহান আর বাসায় ফেরেনি। পরে তদন্তে দেখা যায়, রোহান জঙ্গি কর্মকাণ্ডে যুক্ত। এরপর তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলে, যাতে দেশের বাইরে যেতে না পারে, সে জন্য বিমানবন্দরেও জানানো হয়েছিল। ছয়-সাত মাস ধরে উত্তরবঙ্গের অন্তত তিনটি হত্যাকাণ্ডে খায়রুল ইসলামের নাম এসেছে। তাকে তখন থেকেই খোঁজা হচ্ছিল। সম্ভবত খায়রুল গুলশানে হামলার নেতৃত্ব দিয়েছিল। বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার চুতিনগর ইউনিয়নের ব্রিকুষ্টিয়া গ্রামের দিনমজুর আবু হোসেনের দুই4133346336004816156

মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে খায়রুল বড়। ব্রিকুষ্টিয়া দারুল হাদিস সালাদিয়া কওমি মাদ্রাসায় কিছুদিন পড়েছিল খায়রুল। এরপর ডিহিগ্রাম ডিইউ সেন্ট্রাল ফাজিল মাদ্রাসা থেকে সে দাখিল পাস করে। গণমাধ্যমে ছবি দেখেই বাবা-মা ও প্রতিবেশীরা খায়রুলকে চিনতে পারেন। গ্রামে জানাজানি হয়। পুলিশ একটি ছবি নিয়ে বাড়িতে যায়। তার বাবা-মা প্রথমে ছবিটি চিনতে পারছেন না বলে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ কর্মকর্তারা খায়রুলের ছবি দেখতে চাইলে বিষয়টি বেরিয়ে আসে। পুলিশ খায়রুলের মা-বাবাকে আটক করেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই মুহূর্তে বেশি জরুরি— কারা এই জঙ্গিদের আশ্রয়দাতা, তাদের খুঁজে বের করা। গত ছয়-সাত মাসের একটা বড় সময় তারা ঢাকায় অবস্থান করছিল বলে মনে করা হচ্ছে। ঢাকার কোন এলাকায় কারা তাদের আশ্রয় দিয়েছিল, তাও বের করতে হবে। তদন্তের ক্ষেত্রে রাজনীতিমুক্ত না থাকলে নির্দেশদাতাদের বের করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। জঙ্গিদের আন্তর্জাতিক সম্পর্কগুলো গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় আনতে হবে। বিশেষ করে এত বড় ঘটনার বিষয়ে আগাম বার্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে গোয়েন্দাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। গুলশান আক্রমণে নেপথ্য নায়কদের বের করতে হলে শুরু থেকে তদন্তের ধরন বদলাতে হবে। কারণ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা সবাই উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান ও নামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করা। অতীতে যেভাবে মাদ্রাসা ও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনের বিরুদ্ধে তদন্ত হতো—সেই প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নইলে মূল তদন্ত হোঁচট খাবে। বের হবে না, কারা এদের আশ্রয়দাতা, নির্দেশদাতা এবং অস্ত্র সরবরাহকারী। অজানা থেকে যাবে অর্থদাতাদের নামও। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেও নজরদারিতে আনতে হবে। এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, ১ জুলাই রাতের জঙ্গিরা শক্তিশালী হ্যান্ড গ্রেনেড ও রাইফেল ব্যবহার করে। তাদের অস্ত্রগুলো প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে ধারণা করা হচ্ছে, তারা উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাদের ওই অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ করেছে কোনো শক্তিশালী গ্রুপ। দেশি জঙ্গিদের এমন যোগাযোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলের ছবি দিয়ে অনলাইনে প্রচার চালানোর বিষয়টিও আমলে নিয়েছে গোয়েন্দারা। ওই কর্মকর্তা বলেন, নিহত হামলাকারী, সন্দেহভাজন আটক ব্যক্তি এবং পরিকল্পনাকারীর পরিচয় শনাক্ত করে তাদের যোগাযোগের সূত্র খুঁজছে পুলিশ। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই জঙ্গি হামলার ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পুলিশ সদর দফতর।

benapole-2

20160612053f957

সহপাঠীদের চোখে ফারাজ, অবিনতা ও তারিশি

Posted on Updated on


4133346336004816156
সহপাঠীদের চোখে ফারাজ, অবিনতা ও তারিশি

অবিনতা, ফারাজ ও তারিশি জৈন

ঢাকাস্থ স্প্যানিশ রেস্টুরেন্ট হলি আর্টিসান বেকারিতে গত শুক্রবারের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত তিন তরুণ, সম্ভাবনাময়ী ও মেধাবী ফারাজ আইয়াজ হোসেন [২০], অবিনতা কবির [২০] ও ভারতীয় নাগরিক তারিশি জৈন। এর মধ্যে ফারাজ বাংলাদেশি নাগরিক ও অবিনতা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক যিনি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মিয়ামির বাসিন্দা ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়ার আগে তারিশি ও অবিনতা দু’জনেই 20111128074851two_column_ad.gif

 

ঢাকার আমেরিকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। মেধাবী ও উদীয়মান এ তিন শিক্ষার্থীকে হারিয়ে শোকাহত যুক্তরাষ্ট্রস্থ তাদের নিজ নিজ ক্যাম্পাসের সহপাঠী ও কর্তৃপক্ষ। এমনকি ফ্লোরিডার গভর্নর রিক স্কট অবিনতার স্মরণে আজ রবিবার 577392ef546c2 (1).gifরাজ্যজুড়ে মার্কিন ও ফ্লোরিডা স্টেটের পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে সহাপাঠীরা তাদের নিয়ে স্মৃতিচারণও করেছেন। সহাপাঠীদের চোখে ফারাজ, অবিনতা ও তারিশি কেমন মানুষ ছিলেন তা-ই সিএনএন’র সূত্রে নিচে তুলে ধরা হলো :

‘প্রচণ্ডরকম উদার ছিলেন অবিনতা কবির’

আটলান্টাভিত্তিক এমরি ইউনিভার্সিটির জর্জিয়াস্থ অক্সফোর্ড কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন অবিনতা। তার মৃত্যুতে শোকাহত তার বেশ কয়েকজন সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এমা লুইজা জ্যাকবি নামে তার শৈশবকালের এক বন্ধুর চোখে অবিনতা ছিলেন সারা বিশ্বের সম্পদ। জ্যাকবির ভাষায়, ‘তার কাজের নীতি ছিল আমার কাছে সবসময় উৎসাহব্যঞ্জক। সে অবিশ্বাস্যভাবে লক্ষ্যমুখী ছিল এবং নিজের কাজ ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে ছিল সম্পূর্ণ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। উপরন্তু সে ছিল একজন চমৎকার ক্রীড়াবিদ।’ অবিনতা প্রচণ্ডরকম উদার ছিলেন বলে রুশাই আমারাথ মাদব নামে তার এক কলেজ সহপাঠী জানান। উল্লেখ্য, গত ২৭ জুন পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ঢাকায় এসেছিল অবিনতা।

‘বেশ বিনয়ী ছিল ফারাজ হোসেন’

অবিনতার মতো ফারাজ আইয়াজ হোসেনও এমরি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ছিল। সে এমরির জর্জিয়াস্থ অক্সফোর্ড কলেজের ২০১৬ সালের একজন গ্র্যাজুয়েট ও গুয়াজুয়েতা বিজনেস স্কুলের একজন শিক্ষার্থী ছিল। বন্ধু ও সহাপাঠীদের চোখে সে বেশ বিনয়ী ও দায়িত্বশীল ছিল। তার হাইস্কুলের এক বন্ধু সিএনএনকে বলেন, ফারাজ ভোটে ‘প্রম কিং’ নির্বাচিত হয়েছিল ও ক্লাস প্রেসিডেন্ট ছিল। ওই বন্ধুর চোখে সে ছিল বেশ বিনয়ী ও তার সাক্ষাৎ ঘটা মানুষগুলোর মধ্যে অধিকতর দায়িত্বশীল ছেলে। রিফাত মুরসালিন নামে আরেক বাংলাদেশি সহপাঠী ও বন্ধু জানান, স্কুলের একটি প্রজেক্টের মাধ্যমে ফারাজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল। তার ভাষায় ফারাজ ছিলেন এককথায় খুবই যত্মশীল, সহায়কপ্রবণ ও চরমমাত্রায় বর্হিমুখী। এ ঘটনায় তারা বেশ স্মম্ভিত ও শোকাহত বলেও জানান।577392f221f9a

‘বেশ স্মার্ট ছিল তারিশি জৈন’

ভারতীয় নাগরিক তারিশি জৈন বেশ স্মার্ট ও উচ্চাকাঙ্খী ছিল বলে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজের পরিচালক সঞ্চিতা সাকসেনা বলেন। উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেয়ার আগে তারিশিও ঢাকাস্থ আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেন।  জুনের প্রথম দিক থেকে সে ঢাকাস্থ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের এক শাখায় ইন্টার্নশিপ শুরু করেছিল। তার বাবা সঞ্জীব জৈন গত ২০ বছর ধরে বাংলাদেশে গার্মেন্ট ব্যবসায় জড়িত। সে সূত্রে তার প্রায়ই ঢাকায় আসা হতো। তাদের জন্মস্থান ভারতের উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদে। সূত্র : সিএনএন’র

 

11259390710501569911