বিনোদন

‘ডন ৩’এ শাহরুখের বিপরীতে জ্যাকুলিন!

Posted on


'ডন ৩'এ শাহরুখের বিপরীতে জ্যাকুলিন!

বলিউডের ডন সিরিজের পরবর্তী সংস্করণ ‘ডন ৩’এ প্রধান নারী চরিত্রে কে থাকছেন এ নিয়ে কয়েকদিন ধরেই বেশ আলোচনা চলছে। কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছিল যে ডন’র সিক্যুয়ালের জন্য প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ফারহান আক্তার নতুন একজনকে বেছে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সাম্প্রতিক জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, ‘ডন ৩’তে শাহরুখের বিপরীতে নাকি এবার থাকছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। এমনটি হলে বলিউডের আরেক খানের সঙ্গে তাকে পর্দায় দেখতে পাবে ভক্ত ও দর্শকরা। কারণ এর আগে ব্লকবাস্টার ‘কিক’ মুভিতে সালমান খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন জ্যাকুলিন। উল্লেখ্য, ‘ডন’র আগের দুটির সংস্করণে শাহরুখের বিপরীতে ছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। খবর টাইমস নিউজ নেটওয়ার্কের

20160612053f957

সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হংকং

Posted on


dfg

সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হংকং

পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হংকং। আর এ শহরই এখন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর। গতকাল পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মার্সার বার্ষিক জরিপে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তিন বছর ধরে অ্যাঙ্গোলার রাজধানী লুয়ান্ডা প্রবাসীদের জন্য সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের স্থানটি দখল করে রেখেছিল। কিন্তু এবার সে স্থান দখল করেছে হংকং।

20160612053f957

পৃথিবীর দ্বিতীয় চাঁদ জল্পনা নয়, জানালো নাসা

Posted on


01

বেশ কিছুদিন ধরেই খবরের শিরোনামে রয়েছে পৃথিবীর আর একটি উপগ্রহের কথা। অবশেষে জানা গেল, জল্পনা নয়। নাসা ঘোষণা করল সত্যিই আরও একটি ক্ষুদ্র চাঁদ রয়েছে পৃথিবীর। জেনে নিন এই নতুন উপগ্রহ সম্পর্কে তথ্য। পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি একটি অ্যাস্টেরয়েডের উপস্থিতি বহুদিন ধরেই টের পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। তবে সেটি আদৌ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে কি না সেই নিয়ে সন্দেহ ছিল। কারণ এই অ্যাস্টেরয়েডের কক্ষপথটি একটু বিচিত্র। তার ফলে কখনও কখনও সে পৃথিবী থেকে এতটাই দূরে সরে যায় যে তাকে মহাকাশবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী ঠিক উপগ্রহ বলা যায় না। কিন্তু মজার বিষয় হল সে আবার অন্য সময় পৃথিবীর যথেষ্ট কাছে চলে আসে এবং সেটি ঘটে পৃথিবীর অভিকর্ষের কারণেই। সম্প্রতি তার প্রমাণ পেয়েছেন নাসা বিজ্ঞানীরা। তবে যেহেতু এক একটি সময়ে এই অ্যাস্টেরয়েড অনেকটাই দূরে চলে যায় এবং চাঁদের মতো সারাবছর পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে না, তাই একে সরাসরি ‘স্যাটেলাইট’ আখ্যা দেননি বিজ্ঞানীরা। ‘২০১৬ এইচওথ্রি’ নামের অ্যাস্টেরয়েডকে তাই ‘কোয়াসি-স্যাটেলাইট’ বা ‘মিনি মুন’ নামেই ডাকা হচ্ছে। নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ১০০ বছর আগে এই অ্যাস্টেরয়েডটি এসে পড়ে পৃথিবীর কাছে এবং তখন থেকেই পৃথিবী প্রদক্ষিণ করছে সে। এও জানা গেছে যে, আগামী বেশ কয়েকটি শতাব্দী এভাবেই পৃথিবীর মিনি মুন হয়ে বিরাজ করবে এটি। সম্প্রতি নাসার জেট প্রপালসন ল্যাবরেটরি থেকে প্রকাশিত হয়েছে একটি ভিডিও যেখানে এই মিনি মুন-এর কক্ষপথ এবং পৃথিবীর কক্ষপথের অবস্থান ঠিক কেমন সেটি গ্রাফিক্সের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। এই মিনি মুনের সঙ্গে আমাদের চাঁদের পার্থক্য হল- পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার পাশাপাশি মিনি মুনটি সূর্যকেও প্রদক্ষিণ করে। –

dfg

20160612053f957

অর্ধ শতাব্দী পর আকাশে ফের স্ট্রবেরি মুন

Posted on


dfg

Strawberry Moon

সাজ গোজে খামতি নেই যাদের। সুপার মুন নয়। নয় ব্লু মুনও। এবার একেবারে স্ট্রবেরি। ৪৯ বছর পর আবার আকাশে এল স্ট্রবেরি মুন। আজ থেকে শুরু করে গোটা সপ্তাহটা আমরা দেখতে পাব এই স্ট্রবেরি মুনকে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলে ‘সলস্‌টাইস’। জুন মাসের এই পূর্ণিমার দিনটি থেকে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে শুরু হয় গ্রীষ্মকাল। দিন ছোট হয়। রাত বড় হতে শুরু করে একটু একটু করে। আলগন্‌গুইন উপজাতিরা মনে করত জুনের এই পূর্ণিমার দিনটি থেকে স্ট্রবেরি ফল পাঁকতে শুরু করে। তাই এই চাঁদটিকে বলে স্ট্রবেরি মুন। এই চাঁদের আরও তিনটি নাম আছে। রোজ মুন, হট মুন বা হানিমুন। এই দিন সূর্য থাকে সব চেয়ে ওপরে। তার ফলে ঘন বায়ুমণ্ডলের মধ্যে দিয়ে সূর্যের আলো যাওয়ার সময় তার রঙ হয় অ্যাম্বারের মতো। তাই একে বলা হয় হানিমুন।

01

 

বিয়ের পর শুটিংয়ে ফিরলেন মাহি

Posted on


mahi-0021বিয়ে নিয়ে নানা বিতর্কে জড়িয়ে পরেছিলেন অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি। অনেকটা নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। তাই মিডিয়া পাড়ায় গুঞ্জন ছিল মাহি আদৌ অভিনয়ে ফিরবেন কিনা। তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে আবারও ফিরলেন শুটিংয়ে। আসছে ঈদের নতুন একটি অনুষ্ঠানে ভিন্নরূপে দেখা যাবে তাকে।  একুশে টিভির ঈদ আয়োজনের অংশ হিসেবে গত শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানের শুটিংয়ে অংশ নেন তিনি। সেই অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবেই গানের তালে নাচতে দেখা যায় মাহিকে। মাহি ছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন ফেরদৌস, আঁখি আলমগীর, তানজিন তিশা, অমৃতা। জানা গেছে, ঈদের পর নতুন বর পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে মধুচন্দ্রিমার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিবেন হালের আলোচিত এই অভিনেত্রী। তবে তার আগে আগামী সপ্তাহ থেকে শাহনেয়াজ শানুর পরিচালনায় ও বাপ্পির বিপরীতে ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ ছবির কাজ শুরু করছেন তিনি।

01

কেমন হবে ২০৫০ সালের পৃথিবী

Posted on Updated on


12২০৫০। পৃথিবীর একটি ল্যান্ডমার্ক। তখন পৃথিবীতে জনসংখ্যা ১ হাজার কোটি ছাড়িয়ে যাবে। বিজ্ঞানী, গবেষকরা এখনই ভাবতে শুরু করেছেন কেমন হতে পারে আজ থেকে ৩৪ বছর পরের পৃথিবী। কোনদিকে যাচ্ছি আমরা, পৃথিবীর ভবিষ্যৎ কী? যে উত্তরগুলো তথ্য-উপাত্ত থেকে আসছে তাতে আশাবাদী হওয়ারই কথা। তবে সংকটও রয়েছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষে দৈনন্দিন জীবন হয়ে উঠবে আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক। উল্টোদিকে তাকালে আশঙ্কা জন্মায় ফুরিয়ে আসছে তেল, গ্যাস। ঘনিয়ে আসছে বড় বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এই দুর্যোগ ও অনাগত সাফল্য, সম্ভাবনাগুলো নিয়েই পৃথিবী এগিয়ে চলছে। পৃথিবীর কোনো দেশই গরিব থাকবে না বিল গেটস বিশ্বসেরা ধনী। বারবার আশার বাণী শুনিয়ে এসেছেন, ২০৩৫ সালের পর পৃথিবীর কোনো দেশই গরিব থাকবে না। আসলেই কি তাই? উত্তরটা হচ্ছে, হ্যাঁ। গবেষকরাও এটা মেনে নিয়েছেন এবং বিশ্ব হাঁটছে সে পথেই। ২০৫০ সালে পৃথিবীর কোনো দেশই আর দরিদ্র থাকবে না। বিশ্ববাসীর হাতে হাতে অর্থ না থাকলেও সামগ্রিকভাবে কোনো দেশ দরিদ্র থাকবে না। এর প্রমাণ পাওয়া গেছে ১৯৯০ সাল থেকে ২০১০ সাল— এই সময়টুকু বিশ্লেষণ করে। এই সময়ের ব্যবধানে পৃথিবীতে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন মানুষ দরিদ্রতার চরম সীমা পেরিয়ে সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। বিশ্ব অর্থনীতি বারবার সংকটের মুখে পড়লেও এটা সত্যি যে, বর্তমানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যে হারে হচ্ছে তাতে দরিদ্রতা শব্দটি ২০৫০ সাল নাগাদ ঝেড়ে ফেলা সম্ভব হবে। তবে এই পথে বাধা হয়ে উঠতে পারে বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ার পরিবর্তন ও দেশে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা। হাতে আসবে সেরা প্রযুক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা : ২০৫০ সাbenapole-2লের মধ্যেই মানুষের হাতে এসে যাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন মানব সভ্যতার গতি-প্রকৃতি পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হবে এমনটাই মানেন গবেষকরা। ইলেকট্রিক প্রপালশন : নাসা এ নিয়ে কাজ করছে ২০০৭ সাল থেকে। এর আগে এটি মানুষের নজরে আসেনি। বিদ্যুেক কাজে লাগিয়ে জীবনযাত্রা বহু বছর ধরেই সহজ করে আনছে মানুষ। সেখানে রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার কমে গেছে বহুগুণ। এই বিদ্যুত্শক্তি আরও সহজলভ্য করার জন্য যে গবেষণা চলছে তার সমাধান ২০৫০ সালের আগেই মানুষের কাছে এসে যাবে। 14পৃথিবীর বাইরে মানুষের যে শক্তি ও জীবনের অনুসন্ধান চলছে তাতে এই সমাধান যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দেবে। শহরে বনায়ন : নগরায়ণ ও শিল্পায়নের প্রভাব পড়েছে বনভূমি ও কৃষিভূমিতে। নদী ও খালগুলোও সভ্যতার পথে এসে দাঁড়ায় কিন্তু ধ্বংস করেছে মানুষ। এই অসহনীয় ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিদান দিতে হবে মানুষকেই। ২০৫০ সাল নাগাদ মানুষ বন সৃষ্টির জন্য নতুন পরিকল্পনা নিয়ে উঠে পড়ে লাগবে। এ পরিকল্পনায় থাকবে শহরে বনায়ন। বনাঞ্চলে নগর প্রসারিত হলেও উদ্ভিদ ও প্রাণীকুলের কোনো ক্ষতি যেন না হয় সেটা প্রাধান্য পাবে। মানুষের আকাশছোঁয়া দালান হবে একেকটি ছোট বন। পুরো শহর বনের কোনো ক্ষতি যেন না করে এমন পরিকল্পিতভাবে সাজানো হবে। সেখানে মানুষের প্রয়োজন মেটানোর আগে বন ও প্রাণীজগতের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা হবে। দ্রুতগতির যোগাযোগ ব্যবস্থা : সময় বাঁচাতে মানুষ আরামদায়ক ও নিরাপদ যানবাহন উদ্ভাবনে মন দিয়েছে। ইতিমধ্যে সাফল্যেরও দেখা মিলেছে। তবে ২০৫০ সালের মধ্যেই এর পুরো ফলাফল মানুষ ভোগ করবে। দ্রুতগতির ট্রেন, প্রাইভেট কার, উড়োজাহাজ ও জাহাজ মানুষ ব্যবহার করতে পারবে। এগুলোর গতি হতে পারে ঘণ্টায় ৩০০ থেকে ৫০০ কিলোমিটারের মতো। এছাড়া সম্পূর্ণ বিদ্যুত্চালিত গাড়িও তখন রাস্তা দাপিয়ে বেড়াবে। উন্নত ধাতু : উন্নত প্লাস্টিক তৈরিতেও মানুষ ২০৫০ সালের মধ্যে সফল হবে বলে ধারণা করা হয়। এছাড়া উন্নত সংকর ধাতুও তৈরি করতে সক্ষম হবে মানুষ। বিভিন্ন নতুন পদার্থের খোঁজ মিলতে পারে এ সময়ের ব্যবধানে। এগুলো দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য তো বটেই উড়োজাহাজ, রকেট তৈরিতেও মানুষ অভাবনীয় সাফল্য পাবে। কার্বন গ্রাফাইট ব্যবহার করে মানুষ স্বচ্ছ ধাতু পাত আবিষ্কার করতে পারে। এগুলো ওজনে হবে হালকা কিন্তু পুরুত্ব হবে বেশি। মাত্র কয়েকশ টন হবে আকাশছোঁয়া দালানের ওজন। স্মার্ট গ্রিড : বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিকায়ন করা হবে ২০৫০ সালের মধ্যে। স্মার্ট গ্রিড সেই পথেরই একটি সম্ভাব্য পদ্ধতি। বর্তমানে প্রতিবছর পৃথিবীতে শক্তির চাহিদা দুই শতাংশ করে বাড়ছে। ২০৫০ সালে বর্তমানের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হবে এমনটাই বলছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি। স্মার্ট গ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ অপচয় কম হবে ও পুরো বিশ্ব একটি বৈদ্যুতিক যোগাযোগের মধ্যে আসবে। ফলে সহজেই প্রয়োজন মতো গোটা বিশ্বে প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এই নেটওয়ার্ক স্মার্ট গ্রিড হিসেবে পরিচিত হবে। ভাসমান শহর : পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পাচ্ছে সমুদ্রতলের উচ্চতা। তাই আশঙ্কা করা হয়, ২০৫০ সালের মধ্যেই নিউইয়র্ক 16বা মুম্বাইয়ের মতো শহরগুলো বন্যায় ডুবে যাবে। বিশ্বের প্রধানতম শহরগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে ২০৫০ সালে ভাসমান শহর প্রযুক্তি মানুষের হাতে চলে আসবে। ফলে সমুদ্রে দেখা যাবে বিভিন্ন ভাসমান শহর। এগুলো বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে হবে না। এই শহরগুলো মাল্টিস্টোরেড দালানের মতোই গড়ে উঠবে। মহাকাশে খনন : মহাকাশে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার কথা হরহামেশাই শোনা যায়। ২০৫০ সালে এটি আরও বড় পরিসরে এগোবে। তখন পৃথিবীর বুকে তেল, গ্যাস, কয়লা বা সোনা খোঁজার মতো করেই মহাকাশের বিভিন্ন প্রান্তে, গ্রহে মানুষ খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করবে। পৃথিবীর বাইরে প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ ২০৫০ সালেই মিলতে পারে। চিকিৎসাজগতে বিস্ময় মানুষ আশায় বাঁচে। ২০৫০ সালের মধ্যে মানুষকে অনেক কঠিন চ্যালেঞ্চের মধ্যদিয়ে যেতে হবে। তেল, গ্যাস ও খাওয়ার পানি ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তো রয়েছেই। সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে আশার কথা, মানুষ এই সময়েই পাবে উন্নত ভ্যাকসিন বা টিকা। রোগ মোকাবিলায় মানুষ আশাতীত সাফল্যের দেখা পেতে পারে। মানুষের গড় আয়ু বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৮০ বছরের কাছাকাছি। শিশুমৃত্যুর হার অনেকাংশে কমে যাবে। গবেষকরা আশাবাদী শিশুমৃত্যু হার কমিয়ে চমকপ্রদ এক পৃথিবীর সঙ্গে মানুষকে পরিচয় করে দেবে ২০৫০ সাল। এই সুফল পরবর্তী ২০ বছর ভোগ করতে পারবে পৃথিবী। এইচআইভি ও ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি পুরোপুরি নিরাময় করা যাবে। এছাড়া মস্তিষ্কের রোগেও মানুষকে আর ধুঁকে ধুঁকে মরতে হবে না বলে দাবি করেন গবেষকরা। ২০৪৫ সালের মধ্যেই মানুষের মস্তিষ্ক মানচিত্র তৈরি ও বিশ্লেষণ করা সম্ভব হতে পারে। ফলে সহজেই মানুষের স্মৃতিশক্তি সংরক্ষণ করা ও চিন্তাশক্তির পূর্ণ ব্যবহারে যুগান্তকারী সাফল্য আসতে যাচ্ছে। মানুষের মস্তিষ্ক তখন কম্পিউটারের মতোই নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করা যাবে। চাইলে যে কেউ তার স্মৃতি কম্পিউটারে জমা করে রাখতে পারবে। অঙ্গ 15প্রতিস্থাপনেও দেখা মিলবে অবিশ্বাস্য প্রযুক্তির। আজকের পৃথিবীতে যা অবিশ্বাস্য ২০৫০ সালে তা হবে একেবারেই সাদামাঠা ব্যাপার। এখন মানুষের হাত-পা প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। কিডনি প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থেকে আরও উন্নত হবে চিকিৎসা জগৎ। তখন মানুষের হূিপণ্ড ও মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপনেও সাফল্য আসতে পারে। রোবোটিক হাত-পা ব্যবহার করতে পারবে মানুষ। ঘনিয়ে আসছে দুর্যোগ সময়ের পরিক্রমায় ২০৫০ সাল পৃথিবীর জন্য ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে। আবহাওয়া বিশ্লেষকরা এ বিষয়ে একমত ২০৫০ সালের আগেই পৃথিবীতে একাধিক বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানতে পারে। সেই রেশ কাটবে না ২০৫০ সালেও। এই সময়ের ব্যবধানে বড় ধরনের ভূমিকম্প, সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধি, প্রলয়ংকরী হ্যারিকেন ও টর্নেডোর কথা বারবার বলছেন তারা। এগুলো কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে সে নিয়ে বিস্তর গবেষণা এখনো চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, মানব সভ্যতার ওপর বড় ধরনের পরিবর্তন বয়ে আনতে সক্ষম হবে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো। এছাড়া খরা ও বন্যা সরাসরি পৃথিবীবাসীকে বিপদের মুখে ফেলবে। ২০৫০ সালের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্চ হয়ে ওঠবে নিরাপদ পানির সংকট ও প্রাকৃতিক উষ্ণতা বৃদ্ধি। খাদ্য সংকটও প্রবল হতে পারে। বিপজ্জনক ২০৫০ দূষিত বাতাস : ২০৫০ সালে শহরায়ন ও নগরায়ণের প্রভাবে মানুষের গ্রহণযোগ্য বাতাসে দূষণ বিপজ্জনক পর্যায়ে চলে যেতে পারে। বাতাস দূষিত হলে মানুষ সরাসরি ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত হবে। এছাড়া ওজোন স্তরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে এই সময়ের ব্যবধানেই। খাওয়ার পানি সংকট : সুপেয় পানির জন্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে— এই আশঙ্কা গত কয়েক দশক ধরেই করা হচ্ছে। ২০৫০ সালের মধ্যেই পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ সুপেয় পানি পাবে না। এই খাওয়ার পানির সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠতে পারে পরবর্তী বছরগুলোতে। এখনই প্রায় ২.৭ বিলিয়ন মানুষ নিরাপদ পানি পাচ্ছে না। যা প্রায় পুরো পৃথিবীবাসীর ৪০ শতাংশ। এছাড়া প্রায় ১ বিলিয়ন মানুষ প্রতিনিয়ত পানির সংকটে ভুগছে। ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ৫ বিলিয়ন মানুষ খাওয়ার পানি পাবে না। শুধু তাই নয়। মারাত্মক সংকট তৈরি হবে ফসলি জমিতে সেচের ক্ষেত্রেও। পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে অবস্থা বর্তমানে বিবেচনার চেয়েও মারাত্মক হতে পারে। খাদ্য সংকট : ফসল উত্পাদনে পৃথিবী প্রতি এক যুগে প্রায় দুই শতাংশ ক্ষমতা হারায়। ২০৫০ সালে মানুষ খাদ্য সংকটে ভুগতে শুরু করবে। একই সঙ্গে হারিয়ে যাবে মাছ। সমুদ্র ও নদী থেকে বর্তমান সময়ে পরিচিত মাছ আর থাকবে না। সাইবার আক্রমণ : মানুষ যত প্রযুক্তির দিকে নির্ভরশীল হচ্ছে তত তার নিরাপত্তা নিয়েও চিন্তিত হয়ে উঠছে।17২০৫০ সালে সাইবার আক্রমণ আরও শক্তিশালী ও ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। সুপার পাওয়ার ভারত অর্থনৈতিক, সামরিক শক্তি, প্রাকৃতিক সম্পদসহ বিভিন্ন সম্পদের বিবেচনায় ভারত ২০৫০ সাল নাগাদ পৃথিবীর নতুন সুপার পাওয়ার হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। মাত্র দুই যুগের ব্যবধানে ভারত ইতিমধ্যে নিজেকে একটি অগ্রসরমান সুপার পাওয়ার রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে। ভারতকে আগামী দিনের সুপার পাওয়ার হিসেবে মানছে বিভিন্ন সূচকে পরিমাপকারী সংস্থাগুলো। ২০১৫ সাল শেষে বিশ্বের সবেচেয়ে অগ্রসরমান জিডিপি নিয়ে ভারতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কথা জানান দিয়েছে। এছাড়া জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশ তরুণ জনশক্তি রয়েছে তাদের যাদের বয়স ৩৫ এর নিচে। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও তাদের সহায়ক। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেও অবিশ্বাস্য গতিতে এগিয়ে আসছে ভারত। শক্তি সংকট মোকাবিলায় নিউক্লিয়ার ও হাইড্রো পাওয়ার বিশ্ববাসীকে চমকে দিয়েছে। এর সঙ্গে ভারতের সামরিক শক্তিও ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বসেরা হতে পারে

01

 

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন অভিনেত্রী জ্যোতি

সংক্ষিপ্ত পোষ্ট Posted on Updated on


ভারতের মতো বাংলাদেশের রাজনীতিতেও শোবিজ অঙ্গনের তারকাদের আবির্ভাব বাড়ছে। এরইমধ্যে আসাদুজ্জামান নুর, তারানা হালিম, কবরিসহ অনেকেই সংসদের চৌকাঠ মাড়িয়েছেন। এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। ময়মনসিংহ-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ dd1সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে বুধবার সন্ধ্যায় মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তিনি। জ্যোতি বলেন, ”এলাকাবাসীর আগ্রহ ও ভালোবাসাকে সম্মান জানিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছি।” গত ২ মে সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসনের সংসদ সদস্য ডা. ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকিরের মৃত্যুর পর গৌরীপুর আসনটি শূন্য হয়। তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৮ জুলাই গৌরীপুর শূন্য আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শূন্য আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছেন জ্যোতি। জ্যোতি বলেন, ”এলাকার মানুষের ভালোবাসাকে সম্মান জানিয়ে আমি জাতীয় সংসদের ময়মনসিংহ-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে আমার প্রাণের সংগঠন আওয়ামী লীগ থেকে মননোয়ন চেয়েছি। আশা করি বঙ্গবন্ধু কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যোগ্য মনে করে প্রার্থী করবেন।” প্রার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রার্থী ঘোষণা করবে আওয়ামী লীগ। জ্যোতি বলেন, ”আমি গৌরীপুরের মেয়ে। এলাকার মানুষের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। আমি সব সময় আমার এলাকার মানুষের জন্য কাজ করবো।” অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে সমানতালে অভিনয় করে দর্শকনন্দিত হয়েছেন।