বেনাপোল

জঙ্গিগোষ্ঠীর ফোন নম্বর বুঝবেন কীভাবে?

Posted on Updated on


11259390710501569911

জঙ্গিগোষ্ঠীর ফোন নম্বর বুঝবেন কীভাবে?

11259390710501569911

অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে না এমন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা নেই বললেই চলে। তবে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা বিশেষ কিছু কল আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। একবার ভুল করে রিসিভ করলে কিংবা কল ব্যাক করলেই চরম বিপদে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেরকম কিছু বিপদসঙ্কুল নম্বর।

মোবাইল ফোন গ্রাহকদের অনেকেই  +375602605281, +37127913091 +37178565072 +56322553736 +37052529259 +255901130460 এই রকম কিছু নম্বর থেকে মিস্ কল আসার শিকার হয়েছেন। অথবা এমন কিছু নম্বর যার শুরুতে +375 +371 +381 এই code গুলো ছিল।

20111128074851two_column_ad

এই রকমের নম্বর থেকে একটা মিসড কল হলে অথবা কিছুক্ষণ রিং বেজে বন্ধ হয়ে গেলে, আপনি যদি কল ব্যাক করেন তবে বিপদ। আপনার ব্যালেন্স থেকে 15-30$ কেটে নেওয়া হবে, আর তিন সেকেন্ডের মধ্যে আপনার কনট্যাক্ট লিস্টের সম্পূর্ণ কপি তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। আপনার ফোনে যদি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস্ অথবা ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডের তথ্য সেভ করা থাকে তবে সেগুলোও তারা কপি করতে সক্ষম হবে।

এবার জেনে নেওয়া যাক এসব ফোন কোন কোন জায়গা থেকে করা হয় ও কোন জঙ্গিগোষ্ঠী করে থাকে। যেমন +375 কোডের ফোন বেলারুশ থেকে করা হয়, +93 কোডের ফোন করা হয় আফগানিস্তান থেকে, +371 কোডের ফোন লাটভিয়া থেকে, +381 কোডের ফোন সার্বিয়া থেকে, +563 কোডের ফোন চিলি থেকে, +370  কোডের ফোন লিথুনিয়া, +255 কোডের ফোন আসে তানজানিয়া থেকে। এই সকল ফোন সাধারণত: ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিরা করে থাকে। তাই সাবধান! ভুল করেও ফোন রিসিভ করবেন না কিংবা কল ব্যাক করবেন না।

এছাড়া আপনার ফোন থেকে কখনও #90 ও #09 প্রেস করবেন না। কোনো নম্বর থেকে ফোন করে আপনাকে প্রলোভনমূলক কোনো কথা বলে যদি #90 ও #09 চাপতে বলা হয়, দয়া করে তা কখনো্ই করবেন না। এতে আপনার ফোনের সিম কার্ড ক্লোনিং করে, আপনার নম্বরের আর একটি সিম কার্ড বানিয়ে নেবে তারা। তারপর আপনার নম্বর ব্যবহার করে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন অসামাজিক কাজ করবে, যার বিন্দুমাত্রও আপনি টের পাবেন না।

 

dfg

20160612053f957

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বেনাপোল সোনালী ব্যাংকের সামনে বিশাল জন সভা

Posted on


12670925_240080819667032_8866403844165382581_n.jpg

 

বেনাপোল স্থল বন্দরে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে ও প্যানেল মেয়র মোঃ তারিকুল আলম তুহিন গুম হওয়ার ৩ বছর পূর্তিতে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দিচ্ছেন মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দীন। ও আরো নেতাবৃন্দগণ।

bd2.png

 

12821434_240081136333667_7933740280764525602_n.jpg

”বিদেশী প্রতারকে ছেয়ে গেছে গোটা বাংলাদেশ”

Posted on


“বিদেশী প্রতারকে ছেয়ে গেছে গোটা বাংলাদেশ“

দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাংক, এটিএমবুথ এবং মানিচেঞ্জার এর শিকার,

DOLAIRMF.jpg

কিছু দিন যাবৎ শোনা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক এবং এ,টি,এম বুথ থেকে অর্থ জালিয়াতিতে মূল হোতা বিদেশীরা। তারা এদেশের প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসানিক কিছু ব্যক্তি বর্গের সাহায্যে এই জালিয়াতি করছে।

 

এই ঘটনা যেতে না যেতেই একই ঘটনা ঘটলো যশোর জেলার বেনাপোল পোর্ট থানার কিছু মানি চেঞ্জারে। তারা টাকা চেঞ্জ করার জন্য এসে বিভিন্ন কলা-কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার বৈদেশিক মুদ্রা ও লাখ লাখ টাকা।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মানি চেঞ্জার ব্যবসায়ীর নিকট থেকে জানা যায় যে, তারা বৈদেশিক মুদ্রা ভাঙ্গানোর জন্য নতুন/পুরাতন/বড়/ছোট নোট নেয়ার নামে টাকার বান্ডেল হাতে নিয়ে হাতের কৌশলে বিভ্রান্ত করে এই জালিয়াতি করছে।

 

এই প্রতারনার শিকার এশিয়ার বৃহৎ স্থল বন্দর যশোর জেলার বেনাপোল চেকপোষ্টের, মানিচেঞ্জার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যশোর মানি চেঞ্জার, তৃষা মানি চেঞ্জার, সন্তু মানি চেঞ্জার, রাজা-বাদশা মানি চেঞ্জার, জি এম পরিবহন কাউন্টার এবং খুলনার কিছু মানি চেঞ্জার।

 

তাদের সকলের একটায় দাবি প্রশাসন যেন, এই প্রতারক চক্রের মূল হোতাদের খুব শিঘ্রয়ই প্রশাসনের আওতায় নিয়ে এসে ব্যবসায়ীদের কে প্রতারনার হাত থেকে রক্ষা করে।

bd2.png

 

 

 

 

 

 

 

 

নিজ নিজ উপজেলাতেই করা যাবে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন

Posted on


1455023425.jpg

বর্তমানে দেশে ভোটার সংখ্যা প্রায় দশ কোটি। এর মধ্যে প্রায় এক কোটি নাগরিক এখনো জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হাতে পায়নি। আবার অনেকের এনআইডিতে নিজের নাম, বাবা বা মায়ের নাম, জন্ম তারিখে ভুল রয়েছে। এগুলো সংশোধন করতে তাদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

http://ritssms.com/ads/server/adserve/www/delivery/afr.php?n=a644beb7&zoneid=967&target=_blank

এদিকে এখন নতুন করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল সিম নিবন্ধন করতে নাগরিকদের আঙুলের ছাপ দিতে হচ্ছে। আর এ কাজে দেখা দিয়েছে আরেক ভোগান্তি। কারণ অনেক এনআইডি কার্ডধারী নাগরিকেরই পরিচয়পত্রে আঙুলের ছাপ নেই।

জাতীয় পরিচয়পত্রে যে সব ব্যক্তির নিজের আঙ্গুলের ছাপ নেই, কিংবা অষ্পষ্ট তাদের যোগাযোগ করতে হবে সংশ্লিষ্ট উপজেলায়। কারণ এখন জাতীয় পরিচয়পত্রের সংশোধন কিংবা যে কোনো ধরনের কাজ সংশ্লিষ্ট উপজেলা থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে।

জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুজ্জামান মো. সালেহ উদ্দিন জানান, মোবাইল কোম্পানি ও টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনকে (বিটিআরসি) বলা আছে নাগরিকের আঙুলের ছাপ নিয়ে কোন সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। এছাড়া নাগরিকের এনআইডিতে আঙুলের ছাপ আছে কি না সেটি মোবাইল কোম্পানিগুলো পরীক্ষা করছে ঠিকই কিন্তু অনেক সময় তাদের ডিভাইসে হয়তো কাজ করে না বা অনেকের আঙুলের ছাপ অস্পষ্ট বা নাও থাকতে পারে। তবে এটা নিয়ে নাগরিকদের বেশি চিন্তা করার কিছু নেই।

আর কয়েক ঘন্টা পরেই বাঙ্গালির প্রাণের বাংলা ভাষা দিবস একুশে ফেব্রুয়ারী

Posted on


আর কয়েক ঘন্টা পরে শুরু হবে বাঙ্গালির প্রাণের ভাষা দিব্সএকুশে ফেব্রুয়ারী। আর তার আগেই বাংলাদেশের অন্যতম বেনাপোল পৌরসভা বাজারে এ বিভিন্ন রকমের বিভিন্ন ধরণের ফুলের দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।

DSC_0080.jpg

সকল বয়সী ছেলে মেয়ে ও বিভিন্ন ধর্মের ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছে।

DSC_0098.jpg

একটায় কারণ ২কাল ২১ শে ফেব্রুয়ারী। সবাই মিলে একসাথে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাবে। আজ রাত ১২.০০ টায় বিভিন্ন নেতা নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে দিনটির শোভা যাত্রা শুরু করবেন।

DSC_0091.jpg

বাঙ্গালি জাতি হিসাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বের ইতিহাসে বিরল।

Posted on Updated on


আমাদের গর্ব হয় । আমরা বাঙ্গালি। বাংলা আমাদের অহংকার। আমরা একমাত্র জাতি যারা বাংলা ভাষার জন্য নিঃশ্বর্ত জীবন দিতে পারি। আমাদের দেশ সোনায় মোড়ানো।  21-February-Ekushey-Wallpaper-rootsbd.com-24.jpg

বাঙালি জাতির ঐতিহ্যময় ও গৌরবের ভাষা আন্দোলন এর মূল্যবোধ এবং স্বাধীনতার উপর তার প্রকৃষ্ট প্রভাব অনস্বীকার্য। কেবল তাই -ই নয় ভাষার জন্য আন্দোলন করে এরূপ জীবন উৎসর্গ বিশ্বের ইতিহাসে বিরল।
ভাষা আন্দোলন অর্থাৎ একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগনের গৌরবজ্জ্বল একটি দিন। এটি আমাদের কাছে ঐতিহ্যময় শহীদ দিবস । বিগত এক দশক ধরে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত সারা বিশ্বে। জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষনা করায় বাঙালি জাতির জন্য এই দিনটি বাড়িত এক গর্ব বয়ে এনেছে সুনিশ্চিতভাবেই।
১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৯) বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন দেশপ্রেমিক তরুণ ভাষার জন্য শহীদ হন। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে মহান মহীমায়।
বঙ্গীয় সমাজে বাংলা ভাষার অবস্থান নিয়ে বাঙালি মুসলমানের আত্ম-অম্বেষায় যে ভাষাচেতনার উন্মেষ ঘটে, তারই সূত্র ধরে বিভাগোত্তর পূর্ববঙ্গের রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভাষা-বিক্ষোভ শুরু হয়। ১৯৪৮ সালের মার্চে এ নিয়ে সীমিত পর্যায়ে আন্দোলন হয় এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে তার চরম প্রকাশ ঘটে।
ঐদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে বেরিয়ে এলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে আবুল বরকত, আবদুল জব্বার ও আবদুস সালামসহ কয়েকজন ছাত্রযুবা হতাহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ঢাকাবাসী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে সমবেত হয়। নানা নির্যাতন সত্ত্বেও ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানাতে পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় রাজপথে নেমে আসে। তারা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে শহীদদের জন্য অনুষ্ঠিত গায়েবী জানাজায় অংশগ্রহণ করে। ভাষাশহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি এক রাতের মধ্যে মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গড়ে ওঠে একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যা তৎকালীন সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি গুড়িয়ে দেয়। একুশে ফেব্রুয়ারির এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়। ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৯ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানেরর অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
ক্যানাডার ভ্যানকুভার শহরে বসবাসরত দুই বাঙ্গালী রফিকুল ইসলাম এবং আবদুস সালাম প্রাথমিক উদ্যোক্তা দিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনানের কাছে ১৯৯৮ সালে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসংঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।

আমাদের গর্ব হয় । আমরা বাঙ্গালি। বাংলা আমাদের অহংকার। আমরা একমাত্র জাতি যারা বাংলা ভাষার জন্য নিঃশ্বর্ত জীবন দিতে পারি।

পিকনিক ট্রাজেডির ২য় বর্ষপূর্তি: আজ বেনাপোলে ‘পৌর শোক’ দিবস ঘোষণা

Posted on


Untitled-1 copy.jpg
বেনাপোল

যশোরের বেনাপোল পিকনিক ট্র্যাজেডির আজ দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বেনাপোল পৌরসভার উদ্দোগে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল ৭ টায় বেনাপোল বলফিল্ড থেকে একটি শোক র‌্যালি বের হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কুরআন খতম, নিহতেরদের কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা।

12755325_977342352340362_123026494_o.jpg

বেনাপোল পৌর এলাকায় পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন পিকনিক ট্র্যাজেডির দিন ১৫ ফ্রেরুয়ারিকে পৌর শোক দিবস ঘোষণা করেছেন। এ উপলক্ষে পৌরসভার সব স্কুলের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

12745468_1518573811779769_7229901698461690056_n.jpg

সব স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। গত ২০১৪ সালের ১৫ ফ্রেরুয়ারি পিকনিক থেকে ফেরার পথে যশোরের চৌগাছায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বেনাপোল গাজীপুর সরকারি প্রাথামিক বিদ্যালয়ের ৯ শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।