শোবিজ

যেখানে অতিথি আপ্যায়ন হয় ইঁদুর দিয়ে!

Posted on


যেখানে অতিথি আপ্যায়ন হয় ইঁদুর দিয়ে!

ঘরে ইঁদুর নামক প্রাণীটির অনাকাঙ্ক্ষিত আগমন অধিকাংশ মানুষেরই পছন্দ নয়। শুধু খাবার নষ্ট করা নয়, সুযোগ পেলে লাখো বা কোটি টাকার মূল্যবান জিনিসপত্র কেটে কুটি কুটি করে ফেলে ইঁদুর মহাশয়। ঘুমের ঘোরে পায়ের আঙুলেও কামড় বসিয়ে দিতে পারে খাবার মনে করে। প্রতিবছর বাংলাদেশের আবাদ হওয়া শস্যের বড় একটা অংশ যায় ক্ষুদ্র এই প্রাণীটির পেটে। তবে যে যাই বলুক, উত্তর-পূর্ব ভারতের পার্বত্য এলাকায় বসবাসকারী অদি গোষ্ঠির কাছে কিন্তু ইঁদুর খুবই পছন্দের প্রাণী। হবেই না কেন, ইঁদুর দিয়ে রান্না করা খাবারগুলোই যে তাদের খাদ্যতালিকায় উপরের দিকে। তাই বাড়িতে মেহমান আসলে ইঁদুর ভাজি ছাড়া যেন আপ্যায়নই হয় না। এদিকে প্রতিবছর ৭ মার্চ এই উপজাতি গোষ্ঠি আয়োজন করে চমকপ্রদ একটি উৎসবের। রান্না করা হয় সুস্বাদু সব খাবার। সবার নজর থাকে রান্না ঘরের দিকে। কখন রান্না করা হবে ইঁদুর দিয়ে নানা পদের তরকারি। এর মধ্যে আবার প্রধান আকর্ষণ ইঁদুরের পাকস্থলি ও যকৃতের সঙ্গে লেজ ও পা মিশিয়ে সেদ্ধ করা তরকারির দিকে। পরিবেশনের পর তা খাওয়া হয় লবন, আদা ও মরিচ দিয়ে। এই উপজাতির লোকজন সব ধরনের ইঁদুর পছন্দ করে। বাড়িতে পালন করা ইঁদুর থেকে শুরু করে বন্য ইঁদুর, ধেড়ে ইঁদুর, কোনো কিছুই বাদ দেয় না তারা। ফিনল্যান্ডের ওউলু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ভিক্টর বেনো মেয়ার-রোশৌ দীর্ঘদিন ধরে এ উপজাতি গোষ্ঠি নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত যত মাংস তারা খেয়েছে তার মধ্যে ইঁদুরের মাংসই সবচেয়ে উত্তম ও সুস্বাদু বলে তারা জানান। আমাকে জানানো হয় যে, ইঁদুর ছাড়া কোনো পার্টি হতে পারে না। কোনো গুরত্বপূর্ণ অতিথি বা আত্মীয়কে খাওয়াতে চান? ইঁদুর লাগবে। খাদ্য তালিকায় ইঁদুর না থাকলে বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করাই সম্ভব হয় না। এছাড়া বাপের বাড়ি ছেড়ে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার সময় মরা ইঁদুর উপহার দেওয়া হয় বরের আত্মীয়-স্বজনকে। তিনি আরো বলেন, ”বড়দিনের সকালে আপনি যেমন আপনার ছেলে-মেয়েদের খেলনা উপহার দিয়ে থাকেন, ঠিক তেমনি তাদের ওই বিশেষ উৎসবের প্রথমদিন ছেলেমেয়েরা পেয়ে থাকে দুটো মরা ইঁদুর।” মেয়ার-রোশৌ বলেন, ”এটি আসলে তাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। বহু প্রাণী যেমন হরিণ, মহিষ, ছাগল ইত্যাদি অহরহ তাদের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু তাদের পছন্দ ইঁদুরের মাংস। তারা আমাকে নিশ্চিত করেছে যে, কোনোকিছুই ইঁদুরের মাংসের স্বাদকে হারাতে পারবে না।” – See more at: http://www.bd-pratidin.com/mixter/2016/06/24/153219#sthash.PFz8Ddbc.dpuf

Advertisements

জামিন পেলেন মাহির ‘কথিত স্বামী’ শাওন

ভিডিও Posted on


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপার (মাহিয়া মাহি) দায়ের করা মামলায় তার ‘কথিত স্বামী’ শাহরিয়ার ইসলাম শাওনকে জামিন দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার(১৬ জুন) বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম সামছুল আলম এক লক্ষ টাকা মুচলেখায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ দিন ট্রাইব্যুনালে শাওনের জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী বেলাল হোসেন। জামিন শুনানিতে তিনি বলেন, মাহির সাথে শাওনের এক বছর আগে বিয়ে হয়। মাহি তার বিয়ের তথ্য গোপন করে অন্যত্র বিয়ে করেন। এতে তিনি আইনগত অপরাধ করেছেন। আইনজীবী আরো বলেন, এসব চিত্রনায়ি
কার এক বা একাধিক বিয়ে হওয়া অস্বাভাবিক নয়। মাহি তার প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করে আইনগতdd অপরাধ করেছেন। তাই সবদিকে বিবেচনা করে শাওনকে জামিন দেওয়া হোক। গত ২৮ মে শাওনকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে শাওন জানান, মাহির সঙ্গে তার
পরিচয় স্কুলজীবন থেকে। তারা উত্তরায় একই স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। মাহির সঙ্গে তার প্রেম ছিল বলেও দাবি করেন শাওন। তিনি আদালতে মাহির সঙ্গে বিয়ের কাবিননামাও দাখিল করেন। ৩১ মে দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে ফের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক সোহরাব মিয়া। আদালত তার রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৭ মে চিত্রনায়িকা মহিয়া মাহি রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় হাজির হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে শাহরিয়ার ইসলাম শাওনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তিনি মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, আমার পূর্ব পরিচিত (বন্ধু)শাহরিয়ার ইসলাম শাওন তার কাছে থাকা আমাদের কিছু অন্তরঙ্গ স্থিরচিত্র কয়েকটি আনলাইন ও ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন। এ বিষয় তার সাথে তার বন্ধু হাসান, আল আমিন, খালাতো ভাই রেজওয়ান জড়িত রয়েছে বলে আমার ধারণা। গত ২৫ মে আমার অন্যত্র বিবাহ হয়। আমাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য এবং সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য এ সব কাজ করেছেন শাওন।

বদলে যাচ্ছে চিড়িয়াখানা

Posted on


বদলে যাচ্ছে চিড়িয়াখানা

বদলে যাচ্ছে রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানা। এ বিষয়ে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী নতুন করে কেনা হচ্ছে তিন শতাধিক বিদেশি প্রাণী। যোগ করা হচ্ছে নানান সুযোগ-সুবিধা। কয়েক দিন আগেই চিড়িয়াখানাকে ঢেলে সাজানোর এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চিড়িয়াখানায় দর্শকের জন্য থাকবে ভাসমান হোটেলে বসে বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ। আরও থাকবে নাইট সাফারি। বর্তমানে জাতীয় চিড়িয়াখানায় বিভিন্ন ধরনের দুই হাজারের বেশি প্রাণী ও পাখি রয়েছে। সূত্র জানায়, ২০ এপ্রিল চিড়িয়াখানায় কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক হয়। তাতে নতুন করে তিন শতাধিক প্রাণী ও পাখি সংগ্রহে একটি কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন পেয়েছে। বৈঠকের পর মহাপরিকল্পনার একটি খসড়া অনুমোদনের জন্য মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। ওই প্রস্তাব অনুমোদন পেলেই প্রাণীগুলো সরবরাহে দরপত্র আহ্বান করা হবে। চিড়িয়াখানার কিউরেটর এস এম নজরুল ইসলাম জানান, চিড়িয়াখানায় আরও থাকবে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের দুটি ফুড সেন্টার। দর্শক বিনোদনের জন্য নির্মাণ করা হবে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। পাশাপাশি প্রবেশ ফি ২০ থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হচ্ছে। প্রাণী ও পাখি কেনার অংশ হিসেবে ৯ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে বিদেশি প্রাণী ও পাখি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মহাপরিকল্পনা অনুমোদন পেলে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজার থেকে ৩১৪ প্রাণী ও পাখি সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ২৬ প্রজাতির ১১৪টি দুষ্প্রাপ্য প্রাণী ও পাখি সংগ্রহ করা হবে। এজন্য সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ কোটি ৮১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে লাল বানর, গণ্ডার, উটপাখি, আফ্রিকান সিংহ, সাদা সিংহ, চিত্রা হায়েনা, সাদা পেলিকান পাখি, ধূসর পেলিকান পাখি, সারস, কেশোয়ারী পাখি কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। কোন কোন দেশ থেকে এসব প্রাণী ও পাখি আসবে তা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঠিক করবে। আর অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকায় ১৩ প্রজাতির ২০০টি প্রাণী ও পাখি সংগ্রহ করা হবে। ভোঁদড়, গোখরা সাপ, লাউডগা লাপ, দাঁড়াশ সাপ, সোনালি সাপ, লালমুনিয়া পাখি, হোয়াইট পিংক কবুতর, আঁচিল মুরগি, ময়না, হলুদ টিয়া, তিতির কেনা হবে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে। সূত্রমতে, দীর্ঘদিন ধরে প্রাণী সংগ্রহ না করা এবং বয়স্ক প্রাণীগুলো মারা যাওয়ায় চিড়িয়াখানার বিভিন্ন খাঁচা খালি হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে প্রাণী পুষ্টি কর্মকর্তা আবু সাঈদ কামাল বাচ্চু বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, কিছু প্রাণীর সঙ্গী মারা যাওয়ায় এগুলো একা হয়ে গেছে। নতুন প্রাণী আসার পর সেগুলো জুটি খুঁজে পাবে। এর আগে ২০১২ সালে ১০ কোটি টাকায় প্রাণী কেনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বরাদ্দ মিলেছিল সাড়ে ৭ কোটি টাকা। ওই টাকা দিয়ে ২৭০টি প্রাণী সংগ্রহের কথা থাকলেও সাড়ে ৫ কোটি টাকায় ৩০ প্রজাতির ২৩০টি প্রাণী সংগ্রহ করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চিড়িয়াখানায় বর্তমানে রয়েছে ১০ প্রজাতির ৪০টি মাংসাশী প্রাণী। তৃণভোজী প্রাণী আছে ২৩ প্রজাতির ২২১টি। ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপ আছে ২৫ প্রজাতির ২৪৭টি। পাখি আছে ৫৬ প্রজাতির ১০৬টি। ফিশ অ্যাকোরিয়ামে আছে ২৩ প্রজাতির ৮০১টি দেশি-বিদেশি মাছ।ben20160320071520

বিশ্বে ইন্টারনেটের গড় গতি ৫.৬ এমবিপিএস

Posted on


internet.jpgবিশ্বে বর্তমানে ইন্টারনেটের গড় গতি ৫.৬ মেগাবিট প্রতি সেকেন্ড (এমবিপিএস)। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘স্টেট অব দ্য ইন্টারনেট রিপোর্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ২০১৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকের জন্য এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে আকামাই টেকনোলজিস।   প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ইন্টারনেটের বৈশ্বিক গড় গতি বৃদ্ধি পেয়েছে ২৩ শতাংশ। অন্যদিকে আগের প্রান্তিকের তুলনায় এ গতি বেড়েছে ৮.৬ শতাংশ।   প্রতিবেদনটিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বর্তমানে ইন্টারনেটের গতি সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ কোরিয়ায়। দেশটিতে ইন্টারনেটের গড় গতি ২৬.৭ এমবিপিএস।   এ অঞ্চলে ইন্টারনেটের গড় গতি সবচেয়ে কম ভারতে। দেশটিতে ইন্টারনেটের গড় গতি ২.৮ এমবিপিএস।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ব্রিটেনে মোবাইল ইন্টারনেটের গড় গতি বিশ্বে সর্বোচ্চ। দেশটিতে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা প্রতি সেকেন্ডে ২৬.৮ মেগাবিট গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন।   আর এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে স্পেন। দেশটির মোবাইল ইন্টারনেটের গড় গতি ১৪ এমবিপিএস। আর মোবাইল ইন্টারনেটের গতি সবচেয়ে কম ইরানে, মাত্র ১.৩ এমবিপিএস।

যে দেশে ৬৯ শতাংশ বিয়ে হয় মেয়েকে অপহরণ করে

Posted on


rape-protection
যে দেশে ৬৯ শতাংশ বিয়ে হয় মেয়েকে অপহরণ করে আফ্রিকার ইথিওপিয়ায় কোনো পুরুষের যদি কাউকে ভালো লাগে তাহলে প্রপোজের ধার ধারে না, সেই মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে করে ফেলে। নাইজেরিয়ার পর আফ্রিকার দ্বিতীয় জনবহুল দেশ ইথিওপিয়া, যেখানে বিয়ে হয় মেয়েদের তুলে নিয়ে। গবেষণা বলছে, এখনও ইথিওপিয়ায় ৬৯ শতাংশ বিয়ে হয় মেয়েদের জোর করে ধরে নিয়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদের অনিচ্ছা তো বটেই, শারীরিক শক্তি প্রয়োগ করে তাদের বিয়ের পিঁড়িতে বসানো হয়।

ভারতের ওলা শাটার এটা অন ডিমান্ড খাদ্য ও মুদি ক্রম সেবা নেই

Posted on


screenshot-2016-03-10-12-43-10.png

ওলা, গড়ে ওঠা কোম্পানী ভারতে উবার rivaling, তার খাদ্য ও মুদি ক্রম সেবা তাদের পরিচালনার পর এক বছরের কম সময়ের বন্ধ করে দিয়েছে.
ওলা ক্যাফে এবং ওলা স্টোর ওলা প্রথম পরিবহন সেবা ছিল কিন্তু তারা দেশব্যাপী ছিল না, টিয়ার এক শুধুমাত্র শহরগুলির একটি থাবা পাওয়া হচ্ছে. উভয় সবসময় পাইলট প্রোগ্রাম বন্ধ নিহত হতে পারে হিসাবে বিল করা হয়েছে, এবং এখন নিশ্চিতকরণ আজ এসেছে, এক সপ্তাহ পর মিন্ট রিপোর্ট যে সেবা খরচ অ্যাকাউন্ট এবং ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে আশা করা সুদের চেয়ে কম বন্ধ করা হবে.
আমরা একটি বিলিয়ন মানুষের জন্য ভবন গতিশীলতা আমাদের ফোকাস শক্তিশালী হিসাবে, আমরা এই থেকে একটি ঘনিষ্ঠ এবং গ্রহণ শিক্ষা এইসব দুটি পরীক্ষায় অঙ্কন করা হয় আপনি সময় আসা ভাল পরিবেশন করা হবে,” ওলা, যা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ডেট 1.4 বিলিয়ন $ উপর উত্থাপিত , একটি ব্লগ পোস্টে বলেন.

Screenshot 2016-03-10 12.44.40

উবার, যা ব্যাপকভাবে ভারতে ওলা trailing করা স্বীকৃত হয়, একটি পরিবহন অ্যাপ মধ্যে অন ডিমান্ড সেবা ধারণা প্রবর্তন করে. কোম্পানী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, UberEats, যা শীঘ্রই একটি স্বতন্ত্র খাদ্য ক্রম অ্যাপ্লিকেশন হতে হবে প্রস্তাব কিন্তু এতদূর উবার ভারত বা অন্যান্য বৈশ্বিক বাজারে অনুরূপ অপশন দেওয়া হয় নি.
ওলা এবং উবার উভয় এই মাস ভারতে মোটরসাইকেলে ট্যাক্সি অন ডিমান্ড সেবা চালু. সেই পরিষেবাগুলি, সময়ের হাত ধরে সাইকেল ড্রাইভার যে ভারতে অন ডিমান্ড সেবা সমর্থন করতে পারে একটি দ্রুতগামী আউট নির্মাণ করতে পারে. ইন্দোনেশিয়া, উদাহরণস্বরূপ, সিকৈয়া সমর্থিত যানJek অধিক 200,000 ড্রাইভার একটি বহরে অন ডিমান্ড সেবা ধন্যবাদ একটি পরিসীমা পরিচালনা. কিন্তু এটা শেষ পর্যন্ত দেখা হবে যদি মার্জিন এবং সম্ভাব্য লাভ মূল্য একটি পদক্ষেপ আছে, বিশেষ করে যখন উবের এবং ওলা টাকা একে অপরের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী মাধ্যমে পুড়িয়ে অবিরত.
সুতরাং, এখন যদিও, অন ডিমান্ড পরীক্ষা উপর ওলা জন্য, কিন্তু একমাত্র স্থান উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা কোম্পানিগুলো প্রচুর আছে – যেমন InnerChef এবং Yummiest, Peppertap এবং Grofers হিসাবে.

গরমে ঠিকমতো ঘুমাতে পারছেন না?

Posted on


sleep.jpg

গরম বুঝি পুরোপুরি পড়েই গেলো! ফাল্গুনের শেষের দিকে এসে আজ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অংশে হঠাৎ করে ঘন কুয়াশা দেখা গেলেও গরমের দাপট কিন্তু একটুও কমেনি। ইতোমধ্যে গরমে রাজধানীবাসী যেন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাতের বেলা বিদ্যুৎ চলে গেলে ঘুমানো বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। ফলে অনেকেই শান্তির ঘুম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তীব্র গরম সত্ত্বেও কীভাবে শান্তির ঘুম দেয়া যায় তা নিয়েই নিচে আলোচনা করা হলো :

১. দিন ও রাতে যদি প্রচণ্ড গরম হয় তাহলে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোসল করুন। কারণ এতে শরীরের তাপমাত্রা সাধারণের তুলনায় অনেক কমে যাবে। ফলে ঘুমাতে কোনো অসুবিধা হবে না। এমনকি ঘুমটাও গভীর হবে। আর যদি গোসল করা সম্ভব না হয় তাহলে পায়ের পাতা ভিজিয়ে ঘুমুতে যান। দেখবেন স্বস্তিতে ঘুমাতে পারবেন।

২. রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঘরের কোণে এক বালতি ঠাণ্ডা পানি রাখতে পারেন। তাহলে ফ্যানের বাতাসে বালতির পানি বাষ্পাকারে পরিণত হবে। এতে ঘরের গরম অনেকটাই কমে আসবে। আবার আপনি চাইলে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঘরের মেঝেতে পানি স্প্রে করতে পারেন। এতেও ঘরের তাপমাত্রা কমবে এবং আপনার ভালো ঘুম হবে।

৩. গরমের সময় জানালা খোলা রেখে ঘুমালেও স্বস্তি লাগে। আবার জানালায় ভারী কাপড় ভিজিয়ে ঝুলিয়ে রাখলেও ঘরের বাইরের বাতাস প্রবেশের সময় ঠাণ্ডা বাতাস পাবেন। এতে রাতের বেলা শান্তিতেই ঘুম হবে আপনার।

৪. ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে একটি ভারী পশমি কাপড় ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। পরে ঘুমানোর সময় কাপড়টি কপালে দিয়ে শুয়ে পড়ুন। তাহলে খুব তাড়াতাড়িই ঘুম এসে যাবে আপনার।

৫. ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে ১.৫-২ ঘণ্টা আগে খেয়ে নিন। কারণ খাওয়ার ১.৫-২ ঘণ্টা পর্যন্ত পরিপাকের কারণে শরীর গরম থাকে। তাই শান্তিতে ঘুমাতে চাইলে রাতের খাবারটা আগেই খেয়ে নিন।
৬. সম্ভব হলে বিছানার চাদর রোজ রাতে বদলে নিন। কারণ পরিষ্কার বিছানায় ঘুমালেই মনে এক রকমের প্রশান্তি আসে; যা ভালো ঘুমাতে সহায়তা করে। তবে এক্ষেত্রে বিছানার চাদর সুতির হওয়াই ভালো।

৭. খুব বেশি ঘামার প্রবণতা থাকলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শরীরে ট্যালকম পাউডার মেখে নিন। এক্ষেত্রে মেনথল ফ্লেভারের পাউডার বেশ আরাম দেবে।
৮. এই গরমে সন্ধ্যায় বা রাতে ব্যায়াম না করাই ভালো। আর যদি করতেই হয় তাহলে ব্যায়ামের পর ভালোভাবে স্নান করে পোশাক বদলে নিন।

৯. গরমের দিনে এক বিছানায় বেশি মানুষ না ঘুমানোই ভালো। সবসময় নিরিবিলিতে ঘুমাবার চেষ্টা করুন। সেটা সম্ভব না হলে পাশের মানুষ ও আপনার মাঝে একটি কোলবালিশ রাখতে পারেন।

১০. ফোমের বিছানায় গরম বেশি লাগে। তাই জাজিম ও তোশক ব্যবহার করুন। গরমে আরামে ঘুমাতে শিমুল তুলার বালিশও ব্যবহার করতে পারেন।