-

খেলাধুলা

মাশরাফিদের জয় মাঠে বসে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

Posted on


 

 

মাঠে বসে পুরো খেলা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যেকার ক্রিকেট খেলা দেখার অদম্য স্পৃহা নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান এশিয়া কাপের টি-২০ ম্যাচ দেখার জন্য মিরপুরে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন তিনি। পাকিস্তানকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ৬ মার্চ ভারতের সঙ্গে ফাইনালে খেলবে। এর আগে ২০১২ সালের এশিয়া কাপের ফাইনালে ২ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন বাসসকে জানান, ক্রিকেট ভক্ত শেখ হাসিনা পাকিস্তানের ইনিংস শুরু হওয়ার পর ৭টা ৫০ মিনিটে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন।
স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির ঘোষণা ক্রিকেটপ্রেমী দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের টাইগারদের প্রতিটি দৃষ্টিনন্দন শটের সময় প্রধানমন্ত্রীকে হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করতে দেখা গেছে।

প্রতিটি ম্যাচে টাইগারদের উৎসাহিত করতে স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি নতুন নয়। ক্রীড়াপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি ম্যাচের খবর রাখেন এবং বিজয়ী টিমকে সব সময় অভিনন্দন জানান।
অারও পড়ুন : খেলা দেখতে মাঠে প্রধানমন্ত্রী

 

দল’ হয়ে খেলেই ফাইনালে বাংলাদেশ বাংলাদেশ টিমকে ফাইনালে উঠার জন্য আমাদের

Posted on Updated on


babb65c0501814dcfd235e22bd155c29-Soumya-batting.jpg

 

সৌম্য পথ দেখিয়েছিলেন বাংলাদেশকে।এই মাশরাফি বাংলাদেশের নায়ক। এই মাশরাফি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক। এই মাশরাফি বাংলাদেশের আসল নেতা। এই মাশরাফিকে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ হৃদয়ের সবটুকু দিয়ে ভালোবাসে।

একটু বেশি নাটকীয় হয়ে গেল? হলোই বা। ম্যাচের শেষাংশটা তো এমনি নাটকীয়ই ছিল। এশিয়া কাপের ফাইনালটা যখন ঠিক হাত ফসকে বেরিয়ে গেছে মনে হচ্ছিল, ঠিক তখনই সাহসের অনন্য উপাখ্যান লিখে নিজেকে ব্যাটিং অর্ডারে উঠিয়ে আনলেন। এটা জেনেও যে, বোলিং প্রান্তে পাকিস্তানের সেরা বোলার। প্রথম দুই বলে দুটি চার। বাংলাদেশ অধিনায়কের ১২ রানের ইনিংসটিই তো বাংলাদেশকে জিতিয়ে দিল। পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ।
টি-টোয়েন্টির যে দুর্দান্ত চিত্র এঁকে ফাইনালে গেল বাংলাদেশ, বিশ্বাস করুণ তেমন চিত্র আঁকা পিকাসোর পক্ষেও সম্ভব নয়। এমন গল্প লেখা শেক্সপিয়ারের কাজ নয়। এ অন্য কোনো জগতে লেখা গল্প। যে নাটকের প্রতিটি পর্বে রোমাঞ্চ, যে নাটকের প্রতিটি ফ্রেমে হাসি-কান্না-প্রার্থনা এক হয়ে মিশে আছে।
মাশরাফি অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে শেষটা টানলেন। কিন্তু পারফরম্যান্সটা তো টিম বাংলাদেশের। এখানে মাহমুদউল্লাহর শেষ চার, সৌম্যর বল প্রতি রানের ৪৮-সবই সমান অবদান রেখেছে। দল হয়েই খেলেই ফাইনালে পৌছে গেছে বাংলাদেশ।
বোলিংয়ে পাকিস্তানকে বেঁধে ফেলা গেছে ১২৯ রানে। বাংলাদেশ ও এশিয়া কাপ ফাইনালের মধ্যে দূরত্বটা ছিল তাই ১৩০ রানের। কিন্তু ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ ইনিংসের গল্পটা ছিল পর্যন্ত আশা ভাঙা-গড়ার। সৌম্য-সাব্বিরের পর সৌম্য-মুশফিক—একটা করে জুটি গড়ছে, আশা জাগিয়ে আবার ভেঙেও যাচ্ছে।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই আউট হয়ে গিয়েছিলেন তামিম। বাবা হওয়ার পর প্রথম মাঠে নেমে তামিম শুরুটা ভালোই করেছিলেন। মুখোমুখি হওয়া দ্বিতীয় বলেই মোহাম্মদ আমিরের বলে ছক্কাও মেরেছিলেন। কিন্তু বেশিক্ষণ আর টিকতে পারলেন না। ৪ বলে ৭ করে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন। গত ম্যাচে ৮০ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলা সাব্বির আজ বেশিদূর যেতে পারেননি। আউট হয়ে গেছেন ১৫ বলে ১৪ রান করে।
এরপর দলের হাল ধরেছেন মুশফিক ও সৌম্য। বাঁহাতি ওপেনার কিছুদিন ধরেই ফর্মের সঙ্গে যুঝছিলেন, আজ সব হিসেব চুকিয়ে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা নিয়েই যেন নেমেছেন। কিন্তু পরিস্থিতির দাবি মেনে ৪৮ বলে ৪৮ করে আউট হয়ে গেলেন তিনি। তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন যিনি, সেই মুশফিকও কিছুটা রানখরার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। ১৫ বলে ১২ রান করে সেটি কাটিয়ে ওঠার আশা জাগিয়ে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে আউট হয়ে ফিরলেন বিতর্কিত এলবিডব্লুতে।
বাংলাদেশের ভরসা সাকিবও আজ পারলেন না। স্কুপ খেলতে গিয়ে আউট হয়ে গেলেন আমিরের বলে। কিন্তু এরপরের গল্পটাই তো আজ সবচেয়ে প্রিয়। মাশরাফির ৭ বলে ১২ আর মাহমুদউল্লাহর ১৫ বলে ২২ রানের ইনিংসে ফাইনালে চলে গেল বাংলাদেশ।

এশিয়া কাপের পয়েন্ট তালিকা

Posted on


13.jpgবিশ্বকাপকে সামনে রেখে এবারই প্রথম এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। মূল পর্বে ৫ জাতির এই টুর্নামেন্টে ২ ম্যাচে দুটি জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে ভারত। তালিকায় সমান ২ পয়েন্ট আছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার। তবে লঙ্কানদের থেকে একটি ম্যাচ বেশি খেলেছে বাংলাদেশ। আজ মিরপুরে মালিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জয় পেলে ৪ পয়েন্ট হবে বাংলাদেশর। একই সঙ্গে ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে মাশরাফিরা।

কোয়ালিফাই রাউন্ড থেকে উঠে আসা সংযুক্ত আরব আমিরাত ২ ম্যাচ খেলে এখনো পর্যন্ত একটিতেও জয় পায়নি। এছাড়া প্রথম ম্যাচে গতকাল ভারতের বিপক্ষে হারায় পাকিস্তানের পয়েন্টও শূন্য।

এক ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে

দেশ     ম্যাচ     জয়     পরাজয়     টাই/ড্র     পয়েন্ট
ভারত     ২     ২     ০     ০     ৪
শ্রীলঙ্কা     ১     ১     ১     ০     ২
বাংলাদেশ     ২     ১     ১     ০     ২
পাকিস্তান     ১‍     ০     ১     ০     ০
আমিরাত     ২     ০     ২     ০     ০
 

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

Posted on


12.jpgএশিয়া কাপের তৃতীয় ম্যাচে আজ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশে সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ম্যাচটি শুরু হবে। প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে আমিরাতের বিপক্ষে বড় জয়ে অনেকটা ফুরফুরে মেজাজে টাইগাররা।  তাই হয়তো শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আজ উইনিং কম্বিনেশন ভাঙতে চাইবেন না দলীয় অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ম্যাচ জিতলেও ওই দিন অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের ব্যাটিংটা। তবে বোলাররা মাঠে নিজেদের উজাড় করে দিয়েছিলেন। এ কারণে আজ ম্যাচে যদি পরিবর্তনও আসে সেক্ষেত্রে ব্যাটিংয়ে। আর সেটা হলে ইমরুল কায়েসকে সেরা একাদশে দেখা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে জায়গা ছেড়ে দিতে হতে পারে নুরুল হাসান সোহানকে। \

 

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ : ১. সৌম্য সরকার ২. মোহাম্মদ মিথুন ৩. সাব্বির রহমান ৫. সাকিব আল হাসান ৬. মুশফিকুর রহিম ৬. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৭. নুরুল হাসান সোহান ৮. মাশরাফি বিন মুর্তজা ৯. তাসকিন আহমেদ ১০. আল-আমিন হোসেন ১১. মুস্তাফিজুর রহমান। –

হাই ভোল্টেজ ম্যাচে কি হলো পাকিস্তানের মাত্র ৮৩ রানে অল আউট হয়ে গেল।

Posted on Updated on


পাকিস্তান কি আর আগের মত খেলছে না কেন। মাত্র ৮৩ রানে অল আউট হয়ে গেল।

শুধু ক্রিকেটারদের যাওয়া আসা

কেউ সোজা হয়ে ক্রিজে দাড়াতে পারল না।

আপডেট নিচে

 

 

 

 

 

 

ব্লাটারের ‘প্রতিবেশী’ প্রেসিডেন্ট ফেভারিটকে হারিয়ে ফিফায় ইনফ্যান্টিনো

Posted on


06.jpg

ফিফার ইতিহাসে শেষ বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের লড়াই দ্বিতীয় রাউন্ডে গড়িয়েছিল ১৯৭৪ সালে। সেপ ব্লাটারের পূর্বসূরি জোয়াও হাভেলাঞ্জ যে বার ফিফা প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন।সেই ঘটনার বেয়াল্লিশ বছর পরে, এ দিন জুরিখে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্ব গড়াল ভোটাভুটির দ্বিতীয় রাউন্ডে। এক্সট্রাঅর্ডিনারি ফিফা কংগ্রেস শেষে ফিফার মসনদের দখল নিলেন প্রায় অচেনা এক ব্যক্তিত্ব। কলঙ্কিত এবং নির্বাসিত সেপ ব্লাটারের উত্তরসূরির নাম— জিয়ানি ইনফ্যান্টিনো। যাঁর জন্মস্থান (ব্রিগ) ব্লাটারের জন্মস্থানের (ভিস্প) চেয়ে মাত্র মাইলছয়েক দূরে!

উয়েফার সাধারণ সচিব জিয়ানির তিন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল-খলিফা, জর্ডনের প্রিন্স আমি বিন আল হুসেন এবং ফিফার প্রাক্তন সহ সাধারণ সচিব জেরোম শ্যাম্পেন। প্রথম রাউন্ডে ভোটাভুটির শেষে অঙ্কটা দাঁড়িয়েছিল এ রকম— জিয়ানি: ৮৮ ভোট, শেখ সলমন: ৮৫ ভোট, প্রিন্স আলি: ২৭ ভোট এবং শ্যাম্পেন: ৭ ভোট।

২০৭ ভোটের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট (১৩৮ ভোট) না পেলে প্রথম রাউন্ডে জেতা সম্ভব ছিল না। সুতরাং দ্বিতীয় পর্বের ভোটদান শুরু হয়। যে রাউন্ডে দুই-তৃতীয়াংশ নয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেলেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়ে যেত। তখনও পর্যন্ত দুই সেরা দাবিদার শেখ সলমন এবং জিয়ানির দরকার ছিল ১০৪ বা তার বেশি ভোট। শেষ পর্যন্ত শেখ সলমনকে উড়িয়ে দেন জিয়ানি। শেষ হিসেবটা যা দাঁড়াল— জিয়ানি: ১১৫, শেখ সলমন: ৮৮, প্রিন্স আলি: ৪, শ্যাম্পেন: ০।

প্রথম ভোট পড়ার কয়েক মুহূর্ত আগে নাম তুলে নেন আর এক প্রতিদ্বন্দ্বী, দক্ষিণ আফ্রিকার টোকিও সেক্সওয়েল। এশিয়া এবং আফ্রিকার সমর্থনপুষ্ট শেখ সলমনকে ব্লাটারের উত্তরসূরি হিসেবে দেখছিলেন অনেক বিশেষজ্ঞই। কিন্তু উয়েফার সমর্থন-প্রাপ্ত প্রার্থী জিয়ানিই এ দিন জুরিখে শেষ হাসি হাসলেন। মজার ব্যাপার হল, উয়েফা প্রেসিডেন্ট মিশেল প্লাতিনি ছ’বছরের জন্য নির্বাসিত হয়ে যাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে নির্বাচনের যুদ্ধক্ষেত্রে জিয়ানির প্রবেশ।

তার পরে অবশ্য সময়ের অপচয় করেননি সুইস-ইতালীয় প্রশাসক। নির্বাচনী প্রচারে উয়েফার পকেট থেকে পাঁচ লক্ষ ইউরো খরচ করে গোটা বিশ্ব ঘোরেন তিনি। জিয়ানির ক্যাম্পেনে ছিল ব্লাটারোচিত নানান শপথ। তিনি বলেছিলেন, ফিফার অধীনে থাকা ২০৭ ফেডারেশনের উন্নতির জন্য প্রাপ্য অর্থ দ্বিগুনেরও বেশি বাড়িয়ে দেবেন। বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট হলে ফিফা বিশ্বকাপ হবে চল্লিশ দেশের!

ফিফা প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম বার মঞ্চে উঠে অবশ্য সে সব প্রসঙ্গ আর তোলেননি জিয়ানি। আবেগাপ্লুত গলায়, কান্না সামলে তিনি বলেছেন, ‘‘আমি আপনাদের সবার প্রেসিডেন্ট হতে চাই। নির্বাচনের আগে সারা বিশ্ব ঘুরেছি। এখনও সেটা করতে চাই। আমি আপনাদের সবার সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। নতুন যুগ গড়তে চাই, যেখানে মঞ্চের কেন্দ্রে থাকবে শুধু ফুটবল।’’

এখানেই থেমে থাকেননি জিয়ানি। বলে গিয়েছেন, ‘‘ফিফা খুব দুঃখের সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। নানান সঙ্কটে পড়েছে। কিন্তু সেই সময় এখন অতীত। আমাদের সংস্কারের কাজে নামতে হবে। আমাদের দরকার ভাল প্রশাসন এবং স্বচ্ছতা। সঙ্গে সম্মানও। কঠোর পরিশ্রম আর দায়বদ্ধতার মধ্য দিয়ে এই হারানো সম্মান আমাদের ফিরে পেতে হবে। যাতে সবাই মিলে ফের ফুটবলের উপর ফোকাস করতে পারি।’’

সমালোচকেরা অবশ্য এ সবে ভুলছেন না। প্রেসিডেন্ট হিসেবে জিয়ানির নাম ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর বিরুদ্ধে আছড়ে পড়ছে সমালোচনার ঢেউ। কেউ তুলছেন প্লাতিনির প্রতি জিয়ানির অতীত আনুগত্যের প্রসঙ্গ। কেউ বলছেন, জিয়ানির ঢাকঢোল পেটানো সংস্কার তো তাঁর উয়েফাতেই কার্যকর করতে পারেননি। এর পরেও রয়েছে গ্রিস ও তুর্কিতে ম্যাচ গড়াপেটা বিতর্ক। ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার্স ইউনিয়ন তো সঙ্গে সঙ্গেই বিবৃতি দিয়ে দিয়েছে যে, তারা এই নির্বাচনে তীব্র অখুশি।

‘প্রতিবেশী’র কলঙ্ক মুছে ফিফায় নতুন সকাল আনতে পারেন কি না ইনফ্যান্টিনো, অপেক্ষায় ফুটবলবিশ্ব।

হার্দিক দারুণ প্যাকেজ: ধোনি

Posted on


fe.jpg

ভয়ডরহীন ব্যাটিং, ভাল ফিল্ডার, উপযোগী তৃতীয় সিমার— সব মিলিয়ে হার্দিক পাণ্ড্যকে কমপ্লিট প্যাকেজ মনে করছেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। ‘‘সব মিলিয়ে দারুণ প্যাকেজ হার্দিক। ওকে বেশি সুযোগ দিতে চাই। তা হলে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান খেলানোর বিকল্প থাকে,’’ এ দিন ম্যাচ জিতে বলেন ধোনি। নিজের ব্যাটিং স্লট নিয়ে ধোনির মন্তব্য, ‘‘এক এক সময় ব্যাপারটা কঠিন হয়, দশটা মতো বল খেলতে পাই, লোকে আশা করে তাতেই ২০-২৫ রান তুলে দেব।’’ পিঠের চোট প্রসঙ্গে ধোনি বলেন, ‘‘কাল হয়তো বলতে পারব, কেমন আছি।’’

ম্যাচের সেরা রোহিত শর্মা বলেন, ‘‘পিছনে না তাকিয়ে প্রতিটা ইনিংস নতুন করে শুরু করা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটিংয়ের মূল জিনিসগুলো ঠিকঠাক রেখে বলের পেস ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি। এটা মাথায় ছিল যে, যতক্ষণ সম্ভব ব্যাট করতে হবে।’’ বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরফি মর্তুজা বলে যান, রোহিতের ইনিংসটাই ম্যাচ তাঁদের হাত থেকে বের করে নেয়।

%d bloggers like this: