স্বাস্থ ও সম্পর্ক

ইফতারিতে ডাবের পানি

Posted on


dfg

ইফতারিতে ডাবের পানি

পবিত্র রমজান মাস চলছে। দেখতে দেখতে রোজা প্রায় ২০টি মতো হতে চলেছে। বলা হচ্ছে এবারের রোজা সবচেয়ে দীর্ঘতম। সেইসঙ্গে চলছে তীব্র গরম। ফলে এই গরমে রোজা শেষে সুস্থ থাকতে হলে ইফতারিতে দরকার পুষ্টিকর খাবার। সারাদিনের রোজা শেষে পানীয় যেমন লেবুর শরবত, আমসহ অন্যান্য ফলের জুস শরীরের জন্য খুবই উপকারি। ইফতারিতে ডাবের পানিও একটি উপকারি উপকরণ। কারণ ডাবের পানিকে বলা হয় প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক। ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করতে, পানিশূন্যতা প্রতিরোধে এবং শক্তির উৎস হিসেবে কচি ডাবের পানি ভীষণ জনপ্রিয়। বলা হয়, একটি ডাবের পানিতে চারটি কলার সমান পটাশিয়াম আছে, সেই সঙ্গে আছে সহজ শর্করা বা চিনি, যা সহজে শোষিত হয়ে শক্তি দিতে পারে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ডাবের পানিকে খাওয়ার স্যালাইনের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। নিচে ডাবের পানির উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হলো : ১। প্রচণ্ড গরমে ডাবের

পানি পান করলে পানিশূন্যতার সমস্যা দূর হবে ২। কলেরা রোগ থেকে মুক্তি পেতে ডাবের পানি খুব ভালো কাজ করে ৩। ডাবের পানি পান করলে হজম শক্তি বাড়ে ৪। পরিশ্রমের পরে শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে ডাবের পানি পান করুন ৫। ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে নিয়মিত ডাবের পানি পান করুন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকবে ৬। ডাবের পানি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ৭। রক্ত সঞ্চালন ও শরীরের বৃদ্ধির জন্য ডাবের পানি অনেক উপকারী ৮। ডাবের পানি বদহজম, গ্যাসট্রিক ,আলসার, কোলাইটিস ,ডিসেন্ট্রি এবং পাইলসের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। ৯। বার বার বমি হলে ডাবের পানি পান করলে উপকার পাওয়া যায় ১০। এছাড়াও কিডনীতে পাথর থাকলে সে সমস্যা দূরী করতে ডাবের পানি ভালো কাজ করে – See more a

benapole-2

20160612053f957

ক্যানসারের ঝুঁকি, পাউরুটিতে পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ হল

Posted on


dfg

bread

ক্যানসারের সম্ভাবনা থাকায় পাউরুটি এবং অন্যান্য খাবারে পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করল কেন্দ্রীয় সরকার। খাদ্য সুরক্ষার মান নির্ধারক সংস্থার (এফএসএসএআই) সুপারিশের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

সিএসই (সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট) একটি সমীক্ষা করেছিল। সেই সমীক্ষাতেই এই সম্ভাবনার কথা প্রকাশ পেয়েছে। যার পর এফএসএসএআই এই রাসায়নিকটি নিষিদ্ধ করার সুপারিশ পাঠায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রকে। এফএসএসএআই-র সিইও পবনকুমার অগ্রবাল জানিয়েছেন, ‘‘পটাশিয়াম ব্রোমেট ‘কারসিনোজেনিক’ অর্থাৎ এর থেকে ক্যানসারের সম্ভাবনা রয়েছে। পাউরুটির স্বাদ বাড়াতে এই রাসায়নিকটি তাতে মেশানো হয়। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত।’’ তিনি জানান, গবেষণায় এই ফল সামনে আসার পরই স্বাস্থ্য মন্ত্রকে তা নিষিদ্ধ করার আবেদন জানানো হয়েছিল। তাতে আজ স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে সিলমোহর পড়েছে। তবে শুধু এটাই নয়, স্বাদ বাড়াতে প্রায় ১১ হাজার নানান ক্ষতিকর রাসায়নিক খাবারে মেশানো হয়ে থাকে। সেগুলো কতটা ক্ষতিকর তা জানতে গবেষণা চলছে। ইতিমধ্যে ব্রোমেট ছাড়াও পটাশিয়াম আয়োডেটের উপরেও এই নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকে।

20160612053f957

কাটলে রক্ত বেরোচ্ছে, অথচ মাছ তাজা নয়, সবই রাসায়নিকের কারসাজি!

Posted on


dfg

fish

হোক না অনেক দিন আগেকার ধরা মাছ। কিন্তু দেখলে মনে হবে এই যেন তুলে আনা হয়েছে পুকুর থেকে। মাছ কাটলে বেরোচ্ছে রক্তও। ক্রেতারা পটাপট কিনেও নিচ্ছেন সেই ‘সতেজ’ মাছ।

আগেকার ধরা মাছ এমন সতেজ থাকছে কী ভাবে? এর পিছনে রয়েছে একটি রাসায়নিকের কারসাজি। নাম তার ফর্মালিন। শারীরবিদেরা বলছেন, একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি ফর্মালিন শরীরে ঢুকলে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপকে তা প্রভাবিত করতে পারে। দেখা দিতে পারে মারাত্মক সমস্ত রোগভোগও। আর এ বার তাই বিপজ্জনক মাত্রার ফর্মালিন-যুক্ত মাছ বিক্রি বন্ধ করতে উদ্যোগী হতে চলেছে কলকাতা পুরসভা।

কী ভাবে? পুর-প্রশাসন এ বার থেকে নিয়মিত ভাবে শহরের বিভিন্ন বাজারে ফর্মালিন দেওয়া মাছ ধরতে নজরদারি চালাবে। পুরসভার খাদ্য-সুরক্ষা অফিসারদের নিয়ে তৈরি হয়েছে দল। ওই দল নির্দিষ্ট যন্ত্র (কিট) নিয়ে হানা দেবে বাজারে। সন্দেহ হলেই মাছের শরীরে কতটা ফর্মালিন রয়েছে তা পরিমাপ করবেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই পুরসভার স্বাস্থ্য দফতর এ নিয়ে বৈঠক করেছে। যেখানে খাদ্য সুরক্ষার বিশেষজ্ঞেরাও ছিলেন। তাঁদেরই এক জন জানিয়েছেন, কোনও দ্রবণে ৩৭ শতাংশ ফর্মালিন থাকলে তা মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে।benapole-2

স্বাস্থ্য দফতরের উপদেষ্টা তপন মুখোপাধ্যায় জানান, ছাত্রাবস্থায় ল্যাবরেটরিতে অনেকেই ফর্মালিনের ব্যবহার করেন। সেখানে ব্যাঙ বা অন্য কোনও জীব কাটার পরে ফর্মালিন দিয়ে তা সতেজ রাখা হয়। তপনবাবুর কথায়, ‘‘একই ভাবে মাছ ব্যবসায়ীরাও মাছ ফর্মালিনে চুবিয়ে রাখেন। তাতে মাছ সতেজ থাকে বটে, কিন্তু মানুষের পাকস্থলী, যকৃৎ, ক্ষুদ্রান্ত্রে নানাবিধ ক্ষতি করে ওই ফর্মালিন। এমনকী এর থেকে ক্যানসারও হতে পারে।’’

ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া রোধে স্বাস্থ্য দফতর বছরভর নানা পরিকল্পনা নিচ্ছে। কলকাতার মেয়রের দাবি, তার জেরে শহরে মশাবাহিত রোগ অনেকটাই কমেছে। অনেকটা সেই রকম ভাবেই এ বার শহরে ভেজাল খাবার রুখতে অভিযানে নামছে পুরসভা। মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) অতীন ঘোষ জানান, মশাবাহিত রোগ নিবারণের পাশাপাশি শহরের বাসিন্দারা যাতে ভেজাল বা বিষাক্ত খাবার খেয়ে অসুস্থ না হন সেটা দেখাও পুরসভার কর্তব্য। সেই নিরিখেই শহরের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হওয়া মাছে ফর্মালিনের ব্যবহার রুখতে চায় পুর-প্রশাসন। ফর্মালিনের ব্যবহার বন্ধ করতে আগাম প্রচারও চালানো হবে বলে জানান মেয়র পারিষদ।

কী ভাবে ফর্মালিন ব্যবহৃত হয় মাছে? স্বাস্থ্য দফতর জানাচ্ছে, মাছ ধরার পরে তা আনা হয় আড়তে। সেখান থেকে মাছ কিনে বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। বেশ কয়েক দিন ধরে সেই মাছ বাজারে মজুত রাখেন তাঁরা। সতেজ রাখার জন্য তা চুবিয়ে রাখা হয় ফর্মালিনে। পুরসভার এক রসায়নবিদের কথায়, যাঁরা মাছে ফর্মালিন ব্যবহার করছেন, তাঁরা জানেন না কতটা পরিমাণ দিলে তা মানুষের স্বাস্থ্যের নিরাপদ। মাছ সতেজ রাখতে তাঁরা খুশি মতো ব্যবহার করছেন ওই রাসায়নিক। আর ভয়টা সেখানেই।

অতীনবাবু জানান, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো শহর জুড়ে মাছের বাজারে ঘুরবেন পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অফিসারেরা। অতিরিক্ত ফর্মালিন ধরা পড়লে প্রথম বার ওই সব ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেবে পুরসভা। তাতে কাজ না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মেয়র পারিষদ বলেন, আজ, মঙ্গলবার শহরে ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে পুরসভা।

 

ক্যানসার প্রতিরোধে রোজ খান দাগি কলা!

Posted on Updated on


bananas

কলা খাওয়া তো ভাল, কিন্তু কেমন কলা কিনবেন বলুন তো? আপনার উত্তর নিশ্চয় দাগহীন, টাটকা ফল। তা হলে আজ থেকেই আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে নিন। এ বার থেকে বাজারে গিয়ে বেছে বেছে দাগি কলা কিনুন।
কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে, দাগি কলাই নাকি বেশি উপকারি। দাগি কলা নাকি ক্যানসার রোধ করতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে।

কলা যত দাগি হবে তার নাকি ততই পুষ্টিগুন। লন্ডনের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করে এই তথ্য জানিয়েছেন এক দল বিজ্ঞানী। তাঁরা জানান, কলার খোসার উপরে যে বাদামি ছোপ থাকে তা আসলে টিএনএফ (টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর)। টিএনএফ অ্যান্টি ক্যানসার উপাদান। যা দেহে কোনও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা টিউমার রোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে।
এ ছাড়াও কলা অ্যাসিডিটি দূর করে। রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে, রক্তাল্পতা কমিয়ে আপনাকে সুস্থ রাখে। তা হলে আর নিশ্চয় দাগি কলা দেখে মুখ ঘুরিয়ে চলে যাবেন না।

01

তেজপাতা খ‍াওয়া,ব্যবহার ও পোড়ালেও উপকার

Posted on Updated on


9তেজপাতা নিরাময়কারী এবং স্বাস্থ্যকর ভেষজ পাতা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কেবল তেজপাতা খেলে বা ব্যবহার করলেই নয়, পোড়ালেও কিন্তু অনেক উপকার পাওয়া যায়। একটি ছাইদানিতে কয়েকটি তেজপাতা নিয়ে ১০ মিনিট ধরে পোড়ান। এতে পাতা পুড়বে, পুড়বে এর মধ্যে থাকা এসেনশিয়াল অয়েলও। ধীরে ধীরে দেখবেন ঘরে সুগন্ধ ছড়াচ্ছে। ফলে গন্ধ মনকে সজীব করে দেবে। এটি মন ও শরীরকে প্রশমিত করতে সাহায্য করবে। এতে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমবে।

anigif (1)

তেজপাতার মধ্যে রয়েছে পিনেনে ও সাইনিয়ল নামে দুটি উপাদান। রয়েছে এসেনশিয়াল অয়েল। এর মধ্যে রয়েছে সাইকোঅ্যাকটিভ পদার্থ। তেজপাতা চিবালে এসব পদার্থ পাওয়া যায়। এ ছাড়া এতে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক, ডিওরেটিক, স্যাডেটিভ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি মেজাজকে ভালো করে। তেজপাতা পাকস্থলীর ফ্লু নিরাময়েও সাহায্য করে। তেজপাতার মধ্যে আরো রয়েছে অ্যান্টিরিউম্যাটিক উপাদান। তেজপাতার এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করলে মাথাব্যথা কমে।

 

আসছে আয়ু বাড়ানোর ওষুধ!

Posted on Updated on


6https://benapolebd.wordpress.com/2016/06/08/2632

‘সুন্দর ভুবনে’ কেউই ‘মরিতে’ চায় না। আর একটু বেশিদিন যদি বেঁচে থাকা যায়, তার জন্য কত চেষ্টাই না করছেন সবাই। কিন্তু, যদি এমন কোনও ওষুধ হয় যাতে আয়ু বেড়ে যেতে পারে আরও ১০ বছর? সেই স্বপ্ন আর বেশি দূরে নেই। কিছুদিনের মধ্যেই সত্যি হতে চলেছে। বয়স বাড়ার আসল কারণ বের করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা। আর তা থেকেই বয়স কমানোর উপায় আনা সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।

গবেষণায় জানা গেছে, GSK-3 নামে প্রোটিন মলিকিউল আমাদের আয়ু কমানোর জন্য দায়ী। এটা দূরে সরিয়ে রাখতে পারলেই বাড়বে আয়ু। যাতে GSK-3 রয়েছে, এমন একটি ফল নিয়ে গবেষণা করে দেখা গিয়েছে লিথিয়াম ব্যবহার করে সেগুলির আয়ু বাড়ানো যাচ্ছে অন্তত ১৬ শতাংশ। গবেষকদের ধারণা লিথিয়াম কিংবা সমগোত্রীয় কোনও ওষুধ যার বেশি সাইড এফেক্ট হবে না, সেগুলি ব্যবহার করে আয়ু বাড়ানো সম্ভব। এছাড়া এর মাধ্যমে বয়সজনিত মারণরোগ যেমন, অ্যালঝাইমারস, ক্যানসার, পারকিনসনস ডিজিজ, ডায়াবেটিসও দূর করা সম্ভব হবে।

এক গবেষকের কথায়, এই GSK-3 আবিষ্কারের ফলে ভবিষ্যতে সব বয়সজনিত রোগ দূর করা সম্ভব হবে। মাঝবয়সেই এই ওষুধ নিতে হবে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডাঃ জর্জ জানান, ‘আয়ু বাড়ানো নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। তবে মৃত্যুটা পিছিয়ে নিয়ে যাওয়াটা বেশি জরুরী। যেমন ৭৫ বছরের বদলে যদি ৯০ বছরে অ্যালঝাইমারস হয়, সেটা অনেক বেশি কাঙ্ক্ষিত। কারণ বেশিদিন বাঁচার থেকে যতদিন বাঁচবে ততদিন সুস্থভাবে থাকতে চায় মানুষ।’

=========================================================

বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, হয়ত আগামী কয়েক দশকেও আয়ু বাড়ানোর ওষুধ পাওয়া যাবে না। তবে যদি কখনও পাওয়া যায় তা ৭ থেকে ১০ বছর আয়ু বাড়ানো সম্ভব।

anigif

ডিমের কুসুম সিগারেটের থেকেও বেশি ক্ষতিকারক!

Posted on


photo-1450781698

ঘুম থেকে উঠে ব্রেকফাস্ট টেবিলে সেদ্ধ ডিম থাকবে না! এটা হয় নাকি? কানাডার ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, ধূমপান করার থেকেও প্রতিদিন ডিম খাওয়া আরও বেশি স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী ১২০০ জন নারী, পুরুষকে নিয়ে সমীক্ষা করেন। দেখা গেছে অতিরিক্ত সেদ্ধ ডিম খাওয়াতে তাঁদের শরীরে ক্যারোটিড আর্টারি স্টেনোসিস তৈরি হয়েছে। এতে ব্রেন স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভবনা থাকে বেশি।

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোশিয়েসনের কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক জর্ডন তোমাসেলি জানান, অতিরিক্ত ডিম খাওয়ার পর ক্যারোটিড প্লেক যতটা তৈরি হয় ধূমপান করলেও সেই পরিমাণ প্লেক তৈরি হয় ধমনীতে। এতে রক্তচাপ বাড়ে। এমন কী ফুসফুসে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।01