Uncategorized

রেকর্ড গড়ে শিলার আরও একটি স্বর্ণ জয়

Posted on Updated on


মাহফুজা আক্তার শিলার হাত ধরে ভারতে চলমান এসএ গেমসে তৃতীয় স্বর্ণ পেল বাংলাদেশ। সোমবার ৫০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে স্বর্ণ জিতেছেন তিনি। রেকর্ড ৩৪.৮৮ সেকেন্ড সময় নিয়েছেন বাংলাদেশের এ সাঁতারু। এর আগে রবিবার ১০০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে স্বর্ণ জিতেছিলেন শিলা। 112

১৯৯৭ সালে শ্রীলঙ্কার রহিমা মাইউমি ৩৪.৯৭ সেকেন্ডে স্বর্ণ জয় করেছিলেন। তার রেকর্ড ভেঙে নতুন টাইমিং স্থাপন করলেন বাংলাদেশের নারী সাঁতারু শিলা। বাংলাদেশ সর্বশেষ ২০০৬ সালে সাঁতারে স্বর্ণ জিতেছিল। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩টি স্বর্ণ, ৫টি রৌপ্য ও ১৭টি ব্রোঞ্জসহ মোট ২৫টি পদক নিয়ে পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।Sila

Advertisements

লাশ পড়ে থাকল আড়াই ঘণ্টা

Posted on Updated on


সোমবার রাত ১০টা। জাতীয় অর্থোপেডিক্স হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল) অবজারভেশন রুমে ট্রলির ওপরে খালি গায়ে পড়ে আছে এক হতভাগ্যের নিথর দেহ। মুখে লাগানো অক্সিজেন মাস্ক। বাম হাতে চলছে  স্যালাইনও। এর মধ্যে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নতুন নতুন রোগীও আসছেন। সবার দৃষ্টি সেই নিথর দেহের দিকে। রাত প্রায় ১১টা। অবজারভেশন রুমে আনা হয় এক হার্টের রোগীকে। স্বজন রোগীকে সেই দেহের দিকে তাকাতে বার বার নিষেধ করছেন। কিন্তু এমন দৃশ্য দেখে ওই রোগী কান্নাকাটি শুরু করে দেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে রোগী স্বজনদের বলেন, ‘আমারে কই আনলা, এটা হাসপাতাল না কসাইখানা। তোমরা আমারে অন্য কোথাও নিয়ে যাও।’      এই নিথর দেহকে ঘিরে অবজারভেশন রুমের অন্য রোগীর স্বজনদের মধ্যে নানা কানাঘুষা চলছিল। প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেও বোঝার উপায় ছিল না সেই নিথর দেহের মানুষটি বেঁচে আছেন কিনা। এ প্রতিবেদক কৌতূহলবশত অন্য রোগীর স্বজনদের কাছে জানতে চান এই রোগী কার? কোনো ডাক্তার তাকে দেখছেন না কেন? শীতের মধ্যেও তার গায়ে কোনো কাপড় নেই কেন? তখন অন্য এক রোগীর স্বজন উদ্বিগ্ন কণ্ঠে জানান, ‘রাত সাড়ে ৯টার দিকে লোকটা মইরা গ্যাছে। তারে এহানেই ফ্যাল্লা রাখছে। একটু কাপড় দিয়েও ডাইক্কা দেয়নি।’ তবে তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক ও স্যালাইন পুশ করা হচ্ছে কেন? জানতে চাইলে দায়িত্বরত ডাক্তাররা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এরপর রাত সাড়ে ১১টায় একজন ওয়ার্ডবয় এসে মুখের অক্সিজেন ও হাতের স্যালাইন খুলে দেন। রাত ১২টার কিছু পর আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে লাশ নিয়ে চলে যান রোগীর স্বজনরা। জানা গেছে, রাজধানীর রূপনগর এলাকায় সোমবার রাতে বাসার লিফট ছিঁড়ে পড়ে গিয়ে মারাত্মক আহত হন। পরে তাকে জাতীয় অর্থপেডিক্স হাসপাতালে (পঙ্গু) ভর্তি করা হয়। ওয়ার্ডবয়রা তার এক্সরেও করান। তারা এই রোগীর স্বজনদের বলেন, তার মাথায় আঘাত লেগেছে। ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু তাত্ক্ষণিক কোনো ডাক্তার তারা পাননি। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারা যান এই হতভাগ্য রোগী। এদিকে অবজারভেশন রুমে ট্রলির উপরে আড়াই ঘণ্টা নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। লাশের জন্য আলাদা ঘর রয়েছে, এখানে নানা ধরনের রোগী আসে, সবাই মৃত মানুষ সহ্য করতে পারেন না। তাদের কথা বিবেচনা করেও তো কর্তৃপক্ষ ওই লাশের জন্য একটু জায়গা দিতে পারত। সোমবার রাত ১টা ১০ মিনিট। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তির জন্য আনা হয় আবদুর রহিমকে। কিন্তু ভর্তির দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষ করার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মৃত্যুর আগে এই রোগী অ্যাম্বুলেন্সের ট্রলি থেকে মেঝেতে পড়ে গেলেও হাসপাতালের কোনো নার্স বা ওয়ার্ডবয় রোগীকে ধরে তুলতেও এগিয়ে আসেননি। ভর্তির আগে স্বজনরা ডাক্তারের জন্য এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করছিলেন। কিন্তু কোনো ডাক্তারও তাকে দেখেননি। পরে তার মৃত্যুর সার্টিফিকেট নিয়ে দেখা দেয় আর এক বিড়ম্বনা। ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হওয়ায় স্বজনরা লাশ দিয়ে পড়েছেন বিপাকে। হাসপাতালের লোকজন লাশ নিতেও দিচ্ছে না। পরে মৃত ব্যক্তির ইসিজি করার পরামর্শ দেন সংশ্লিষ্ট নার্সরা। এটি মাত্র একটি দৃশ্য। এমন অসংখ্য দৃশ্য সরেজমিন গিয়ে দেখে গেছে এই হাসপাতালে। এখানে কোনো রোগী ভর্তি করতে আনলে ঘাটে ঘাটে ওয়ার্ডবয়দের ২০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয়। তা ছাড়া কোনো রোগীর ট্রলিতে হাত লাগান না কোনো নার্স, ওয়ার্ডবয়।

এসএ গেমস বাংলাদেশি কর্মকর্তাকে হুমকির অভিযোগ ভারতীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

Posted on


 

Bangladesh_SAG

ভারতের গুয়াহাটিতে চলমান এসএ গেমসে (সাউথ এশিয়ান গেমস) এক বাংলাদেশি কর্মকর্তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল ভারতীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বিএফএফ)-এর কর্তা আহসান আহমেদ মঙ্গলবার অভিযোগ করে বলেছেন, মালদ্বীপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নারীদের ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন এসএ গেমসের এক কর্মকর্তা তাঁকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন।

ম্যাচ শেষে বিএফএফ-এর মিডিয়া বিভাগের প্রধান আহসান অভিযোগ করে জানান, জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে ম্যাচ চলাকালীন গোল পোস্টের কাছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অতিরিক্ত খেলোয়াড় ওয়ার্ম আপ করার সময় তিনি পাশ দিয়েই হাঁটছিলেন। এ সময়ই এসএ গেমসের এক কর্মকর্তা তাঁকে উদ্দেশ্য করে গালি দেয় এবং স্টেডিয়ামের বাইরে ছুঁড়ে ফেলারও হুমকি দেয়। ঘটনার পরই বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের শেফ দ্য মিশন আশিকুর রহমান মিকু’র কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

আহসান আরও জানিয়েছেন, ‘আমি এএফসি (এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন)-এর ম্যাচ কমিশনার। আমি খেলার নিয়ম কানুন জানি। খেলোয়াড়রা যখন ওয়ার্ম আপ করে সেসময় মাঠে কারা থাকতে পারে আমি সেটা ভালই জানি। তাঁর মতে, খেলার নিয়ম অনুযায়ী ওয়ার্ম আপের সময় একজন মাত্র কর্মকর্তা মাঠে উপস্থিত থাকতে পারেন।

ওই ভারতীয় কর্মকর্তার গলায় ‘নিকোলাস’ নামাঙ্কিত এসএ গেমসের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডও ঝুলতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন আহসান। তাঁর পাশাপাশি অন্য এক নারী কর্মকর্তাকেও ওই ভারতীয় কর্মকর্তা অভব্য আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেছেন আহসান।

 

পর্দা উঠলো বসুন্ধরা বাংলাদেশ ওপেনের

Posted on


 

bdpবসুন্ধরা গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় ফের পর্দা উঠলো বসুন্ধরা বাংলাদেশ ওপেনের। এটি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর। আজ বুধবার সকালে কুর্মিটোলা গলফ কোর্সে এবারের আসরের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা (জনসংযোগ) এবং মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের প্রধান লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার আবদুল ওয়াহেদ। বাংলাদেশর গলফার মো. ফরহাদ, সিঙ্গাপুরের কো ডেং শ্যান ১ নম্বর হোল থেকে টি অফ করলে টুর্নামেন্টে দিনের প্রথম সেশনের খেলা শুরু হয়। প্রথম সেশনে বাংলাদেশের হয়ে আরও খেলবেন মো. জীবন আলী, মো. মিলন আহমেদ, মো. আব্দুল মতিন, মো. সাইয়ুম ও কাওসার হোসেন। দেশসেরা গলফার সিদ্দিকুর খেলা শুরু করবেন দিনের দ্বিতীয় সেশনে। বেলা ১২টা ২৫ মিনিটে ৮ নম্বর হোল থেকে শুরু করবেন তিনি। ৩ লাখ মার্কিন ডলার প্রাইজমানির এই টুর্নামেন্টেবিশ্বের ৩৫টি দেশের ১৩৮ জন গলফার অংশ নেবেন। গত আসরের চ্যাম্পিয়ন সিঙ্গাপুরের গলফার মারদান মামত এবার আসতে পারেননি বাবার অসুস্থতার কারণে।  এশিয়ান ট্যুরের এ আসরে সিদ্দিকুর রহমানসহ বাংলাদেশের মোট ৩১ জন গলফার অংশ নেবেন। এর আগে ২০১৬ সালের মে মাসে বসুন্ধরা বাংলাদেশ ওপেনের প্রথম আসর বসেছিল। ওই আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সিঙ্গাপুরের মারদান মামাত।